রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানা এলাকায় সংঘটিত একটি চাঞ্চল্যকর ও ক্লু-লেস দস্যুতা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় সময় তাদের কাছ থেকে দস্যুতার কাজে ব্যবহৃত একটি পিস্তলসদৃশ বস্তু, ছিনতাইকৃত নগদ ৩৩ হাজার টাকা এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. আব্দুর রহমান ডাবলু (৩৬) নগরীর বোয়ালিয়া থানার সপুরা গ্রামের মৃত সালাউদ্দিনের ছেলে (দস্যুতার মূল পরিকল্পনাকারী)। আবু সাদাত মো. সায়েম ওরফে মিলন (৪৮) মতিহার থানার মির্জাপুর গ্রামের মৃত হাসানের ছেলে। তিনি বর্তমানে বোয়ালিয়া থানার কাদিরগঞ্জ এলাকায় বসবাস করেন (ঘটনায় সরাসরি অংশগ্রহণকারী)।
সোমবার (৮ জুন) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
মামলার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে পাবনা ডেইরি ফার্মের কর্মচারী মো. মাসুদ রানা ২ হাজার লিটার তরল দুধ নিয়ে পাবনা থেকে রাজশাহীর সপুরা সেলস সেন্টারে আসেন। দুধ আনলোডের পর রাজশাহী সেন্টার থেকে তাকে প্রধান কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। মাসুদ রানা ওই টাকা লরির চালকের আসনের পেছনে রেখে পাবনার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ওই দিন দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে লরিটি বেলপুকুর থানার উত্তর কাজীরপাড়া এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা রেজিস্ট্রেশনবিহীন নীল রঙের একটি মোটরসাইকেলে এসে লরির গতি রোধ করে। এ সময় তারা লরির জানালার কাঁচ ভেঙে চালকের গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি করে এবং ভেতরে রাখা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এ ঘটনার পর বেলপুকুর থানায় একটি মামলা রুজু হয়। আরএমপি পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারের (ডিবি) তত্ত্বাবধানে ডিবির একটি চৌকস দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তদন্তকারীরা ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে সক্ষম হন।
মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ডিবিতে হস্তান্তর করা হলে ডিবির একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুর রহমান ডাবলু এবং সরাসরি অংশগ্রহণকারী সায়েম ওরফে মিলনকে গ্রেপ্তার করে।
এ সময় ডাবলুর কাছ থেকে নগদ ২৬ হাজার টাকা, মিলনের কাছ থেকে দস্যুতায় ব্যবহৃত পিস্তলসদৃশ বস্তু এবং নগদ ৭ হাজার টাকা। এছাড়া তাদের উভয়ের কাছ থেকে দস্যুতায় ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা বর্তমানে ডিবি হেফাজতে রয়েছে। ছিনতাই হওয়া অবশিষ্ট অর্থ উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. আব্দুর রহমান ডাবলু (৩৬) নগরীর বোয়ালিয়া থানার সপুরা গ্রামের মৃত সালাউদ্দিনের ছেলে (দস্যুতার মূল পরিকল্পনাকারী)। আবু সাদাত মো. সায়েম ওরফে মিলন (৪৮) মতিহার থানার মির্জাপুর গ্রামের মৃত হাসানের ছেলে। তিনি বর্তমানে বোয়ালিয়া থানার কাদিরগঞ্জ এলাকায় বসবাস করেন (ঘটনায় সরাসরি অংশগ্রহণকারী)।
সোমবার (৮ জুন) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
মামলার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে পাবনা ডেইরি ফার্মের কর্মচারী মো. মাসুদ রানা ২ হাজার লিটার তরল দুধ নিয়ে পাবনা থেকে রাজশাহীর সপুরা সেলস সেন্টারে আসেন। দুধ আনলোডের পর রাজশাহী সেন্টার থেকে তাকে প্রধান কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। মাসুদ রানা ওই টাকা লরির চালকের আসনের পেছনে রেখে পাবনার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ওই দিন দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে লরিটি বেলপুকুর থানার উত্তর কাজীরপাড়া এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা রেজিস্ট্রেশনবিহীন নীল রঙের একটি মোটরসাইকেলে এসে লরির গতি রোধ করে। এ সময় তারা লরির জানালার কাঁচ ভেঙে চালকের গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি করে এবং ভেতরে রাখা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এ ঘটনার পর বেলপুকুর থানায় একটি মামলা রুজু হয়। আরএমপি পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারের (ডিবি) তত্ত্বাবধানে ডিবির একটি চৌকস দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তদন্তকারীরা ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে সক্ষম হন।
মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ডিবিতে হস্তান্তর করা হলে ডিবির একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুর রহমান ডাবলু এবং সরাসরি অংশগ্রহণকারী সায়েম ওরফে মিলনকে গ্রেপ্তার করে।
এ সময় ডাবলুর কাছ থেকে নগদ ২৬ হাজার টাকা, মিলনের কাছ থেকে দস্যুতায় ব্যবহৃত পিস্তলসদৃশ বস্তু এবং নগদ ৭ হাজার টাকা। এছাড়া তাদের উভয়ের কাছ থেকে দস্যুতায় ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা বর্তমানে ডিবি হেফাজতে রয়েছে। ছিনতাই হওয়া অবশিষ্ট অর্থ উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :