রাজশাহীর তানোরে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে তার চাচার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। রোববার দুপুরে ভিকটিমের স্বজন বাদী হয়ে তানোর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
এদিকে মামলার পর পরই থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মাসুদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাত্র দু"ঘন্টার মধ্যই আসামি মকবুল হোসেনকে আটক করেছেন।
অভিযুক্ত মকবুল হোসেন (৬০) উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) আড়াদিঘী গ্রামের মৃত খুশবোরের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক এবং ভিকটিমের বড় চাচা।
মামলা, পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ দিন আগে চিকিৎসার কথা বলে ভিকটিমকে তার স্বামীর বাড়ি থেকে তানোরের আড়াদিঘী গ্রামে চাচার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। অভিযোগ রয়েছে, গত বুধবার রাতে পরিবারের অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে মকবুল হোসেন ওই প্রতিবন্ধী নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
মামলার বাদী জানান, পরদিন ভোরে তিনি ভিকটিমের কক্ষে গিয়ে তাকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান। পরে জানতে চাইলে ভিকটিম অভিযোগ করেন, তার বড় চাচা তাকে ধর্ষণ করেছেন।
ভিকটিমের স্বামী বলেন, তার স্ত্রীকে চিকিৎসার কথা বলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বাড়িতে ফিরে আসার পর থেকে সে কান্নাকাটি করছিল। পরে ঘটনার কথা জানতে পারি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
ভিকটিমের সৎ ভাই বলেন, চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলেও তার কোনো চিকিৎসা করানো হয়নি। পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।
এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, এ ঘটনায় একজনকে আসামি করে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে মামলার পর পরই থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মাসুদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাত্র দু"ঘন্টার মধ্যই আসামি মকবুল হোসেনকে আটক করেছেন।
অভিযুক্ত মকবুল হোসেন (৬০) উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) আড়াদিঘী গ্রামের মৃত খুশবোরের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক এবং ভিকটিমের বড় চাচা।
মামলা, পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ দিন আগে চিকিৎসার কথা বলে ভিকটিমকে তার স্বামীর বাড়ি থেকে তানোরের আড়াদিঘী গ্রামে চাচার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। অভিযোগ রয়েছে, গত বুধবার রাতে পরিবারের অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে মকবুল হোসেন ওই প্রতিবন্ধী নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
মামলার বাদী জানান, পরদিন ভোরে তিনি ভিকটিমের কক্ষে গিয়ে তাকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান। পরে জানতে চাইলে ভিকটিম অভিযোগ করেন, তার বড় চাচা তাকে ধর্ষণ করেছেন।
ভিকটিমের স্বামী বলেন, তার স্ত্রীকে চিকিৎসার কথা বলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বাড়িতে ফিরে আসার পর থেকে সে কান্নাকাটি করছিল। পরে ঘটনার কথা জানতে পারি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
ভিকটিমের সৎ ভাই বলেন, চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলেও তার কোনো চিকিৎসা করানো হয়নি। পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।
এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, এ ঘটনায় একজনকে আসামি করে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
আলিফ হোসেন