ইরান-আমেরিকা শান্তিচুক্তি এখনও অধরা। আর সেই কারণে ইরানকেই কাঠগড়ায় তুললেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কটাক্ষ, ইরান নিজেকে শক্তিশালী মনে করে। এখনও পর্যন্ত চুক্তি চূড়ান্ত না-হওয়ায় তারা ‘গর্বিত’ও। তবে ট্রাম্প এ-ও মনে করেন, চুক্তিতে সম্মত হওয়া ছাড়া ইরানের কাছে আর কোনও পথ খোলা নেই।
সংবাদমাধ্যম ‘এনবিসি নিউজের’ এক অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে প্রশ্ন করা হয়, কেন চুক্তি সম্পন্ন করার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না ইরানের? সেই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘‘এমন কিছু কাজ আছে যা ইরান কখনও ভাবেনি যে সেটা তাদের করতে হবে। কিন্তু তাদের কাছে কোনও উপায় নেই। তবে কিছুটা সময় লাগছে।’’
অতীতে ট্রাম্প বার বার দাবি করেছেন, ইরানের সব বাহিনী শেষ। তাদের নেতাদের নির্মূল করেছে মার্কিন বাহিনী। তবে এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট মনে করেন, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ইরানের। ট্রাম্পের কথায়, ‘‘তাদের (ইরান) কিছু ক্ষেপণাস্ত্র, কিছু ড্রোন আছে। আমি বলব শতাংশের হিসাবে হয়তো তাদের মোট ক্ষেপণাস্ত্রের ২১-২২ শতাংশ।’’
ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘‘আমি খুব দ্রুত এগোচ্ছি। তিন মাস হয়ে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন করা হচ্ছে, আমি কবে জিতব? জানেন তো, ভিয়েতনাম যুদ্ধ ১৯ বছর চলেছিল।’’
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিল পেন্টাগন। একই দিনে ইরানে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েলি বিমানবহরও। সেই অভিযানের পোশাকি নাম ছিল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ বা ‘লায়নস রোর’। পাল্টা ইরানি সেনা পশ্চিম এশিয়ায় ইজরায়েল এবং আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলির বিরুদ্ধে শুরু করে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’। ইরানের শীর্ষনেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক প্রথম সারির সামরিক ও অসামরিক নেতার মৃত্যু হলেও নতিস্বীকার করেনি তারা। শেষপর্যন্ত সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দু’পক্ষ। এর পর দু’পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে তৈরি অন্তর্বর্তিকালীন চুক্তির খসড়ায় বলা হয়, তেহরান আবার হরমুজ প্রণালী খুলে দেবে এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে। কিন্তু ট্রাম্প এখনও চুক্তিটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি। আবার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার বিষয় নিয়ে মার্কিন শর্ত মানতে রাজি নয় ইরানও। তাই এখনও চুক্তিজট কাটেনি।
সংবাদমাধ্যম ‘এনবিসি নিউজের’ এক অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে প্রশ্ন করা হয়, কেন চুক্তি সম্পন্ন করার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না ইরানের? সেই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘‘এমন কিছু কাজ আছে যা ইরান কখনও ভাবেনি যে সেটা তাদের করতে হবে। কিন্তু তাদের কাছে কোনও উপায় নেই। তবে কিছুটা সময় লাগছে।’’
অতীতে ট্রাম্প বার বার দাবি করেছেন, ইরানের সব বাহিনী শেষ। তাদের নেতাদের নির্মূল করেছে মার্কিন বাহিনী। তবে এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট মনে করেন, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ইরানের। ট্রাম্পের কথায়, ‘‘তাদের (ইরান) কিছু ক্ষেপণাস্ত্র, কিছু ড্রোন আছে। আমি বলব শতাংশের হিসাবে হয়তো তাদের মোট ক্ষেপণাস্ত্রের ২১-২২ শতাংশ।’’
ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘‘আমি খুব দ্রুত এগোচ্ছি। তিন মাস হয়ে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন করা হচ্ছে, আমি কবে জিতব? জানেন তো, ভিয়েতনাম যুদ্ধ ১৯ বছর চলেছিল।’’
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিল পেন্টাগন। একই দিনে ইরানে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েলি বিমানবহরও। সেই অভিযানের পোশাকি নাম ছিল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ বা ‘লায়নস রোর’। পাল্টা ইরানি সেনা পশ্চিম এশিয়ায় ইজরায়েল এবং আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলির বিরুদ্ধে শুরু করে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’। ইরানের শীর্ষনেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক প্রথম সারির সামরিক ও অসামরিক নেতার মৃত্যু হলেও নতিস্বীকার করেনি তারা। শেষপর্যন্ত সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দু’পক্ষ। এর পর দু’পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে তৈরি অন্তর্বর্তিকালীন চুক্তির খসড়ায় বলা হয়, তেহরান আবার হরমুজ প্রণালী খুলে দেবে এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে। কিন্তু ট্রাম্প এখনও চুক্তিটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি। আবার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার বিষয় নিয়ে মার্কিন শর্ত মানতে রাজি নয় ইরানও। তাই এখনও চুক্তিজট কাটেনি।
আন্তজার্তিক ডেস্ক