পঞ্চগড়ের হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে ১০ জন নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে তারা সবাই ভারতের অভ্যন্তরে জিরো লাইনে অবস্থান করছে।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোর রাতে নীলফামারী ব্যাটালিয়নের ৫৬ বিজিবির বড়বাড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৭৫৮/৫-এর কাছাকাছি ভারতের প্রধান পাড়া এলাকায় বিএসএফের ৯৩ টিয়াপাড়া ক্যাম্প ১০ জন নারী ও পুরুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ভোরে ভারতীয় সীমান্তের কাঁটাতারের গেট খুলে দিয়ে তাদের বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে ঠেলে দেয় বিএসএফ। এ সময় বিজিবির একটি টহলদল তাদের বাধা দিলে বিএসএফ সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের নিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে সরে যায়। বর্তমানে ওই ১০ জন ব্যক্তি সীমান্তের ভারতীয় অংশে, শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০ গজ দূরে অবস্থান করছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সীমান্তের উভয় পাশে বিজিবি ও বিএসএফের টহলদল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক চলছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সীমান্তে বিজিবির তৎপরতায় পুশইনের চেষ্টা রুখে দেয়া সম্ভব হয়েছে।
এ বিষয়ে নীলফামারীর ৫৬ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে জিরো লাইনে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোর রাতে নীলফামারী ব্যাটালিয়নের ৫৬ বিজিবির বড়বাড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৭৫৮/৫-এর কাছাকাছি ভারতের প্রধান পাড়া এলাকায় বিএসএফের ৯৩ টিয়াপাড়া ক্যাম্প ১০ জন নারী ও পুরুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ভোরে ভারতীয় সীমান্তের কাঁটাতারের গেট খুলে দিয়ে তাদের বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে ঠেলে দেয় বিএসএফ। এ সময় বিজিবির একটি টহলদল তাদের বাধা দিলে বিএসএফ সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের নিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে সরে যায়। বর্তমানে ওই ১০ জন ব্যক্তি সীমান্তের ভারতীয় অংশে, শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০ গজ দূরে অবস্থান করছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সীমান্তের উভয় পাশে বিজিবি ও বিএসএফের টহলদল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক চলছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সীমান্তে বিজিবির তৎপরতায় পুশইনের চেষ্টা রুখে দেয়া সম্ভব হয়েছে।
এ বিষয়ে নীলফামারীর ৫৬ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে জিরো লাইনে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
অনলাইন ডেস্ক