সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় করতোয়া নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া এক বৃদ্ধার মরদেহ দুই দিন পর শাহজাদপুর উপজেলা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে শাহজাদপুর উপজেলার গাঁড়াদহ শ্মশানঘাট সংলগ্ন করতোয়া নদীর তীরে একটি মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মায়া রানী শীলের (১০০) বাড়ি উল্লাপাড়া উপজেলার ঘাটিনা পালপাড়া গ্রামে। তিনি বিষ্টপদ শীলের স্ত্রী।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৩ জুন সকালে মায়া রানী করতোয়া নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালালেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
নিহতের ছেলে নব শীল বলেন, আমার মা গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন। দুই দিন পর গাঁড়াদহ শ্মশানঘাটের কাছে তার মরদেহ পাওয়া গেছে।
শাহজাদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে শাহজাদপুর উপজেলার গাঁড়াদহ শ্মশানঘাট সংলগ্ন করতোয়া নদীর তীরে একটি মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মায়া রানী শীলের (১০০) বাড়ি উল্লাপাড়া উপজেলার ঘাটিনা পালপাড়া গ্রামে। তিনি বিষ্টপদ শীলের স্ত্রী।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৩ জুন সকালে মায়া রানী করতোয়া নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালালেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
নিহতের ছেলে নব শীল বলেন, আমার মা গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন। দুই দিন পর গাঁড়াদহ শ্মশানঘাটের কাছে তার মরদেহ পাওয়া গেছে।
শাহজাদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
প্রতিনিধি :