পাবনায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দি অবস্থায় পদ্মা নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত কিশোরীর সঙ্গে তার চাচাতো ভাইয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিক বাসায় দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে।
বুধবার বিকেলে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত নাইমের সঙ্গে কিশোরী রিয়ার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ একটি বস্তায় ভরে সহযোগীদের নিয়ে প্রাইভেটকারযোগে পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা এলাকার পদ্মা নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তদন্তে যৌন নির্যাতনের অভিযোগও উঠে এসেছে; এ বিষয়ে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত যাচাই করা হচ্ছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, বুধবার সকালে অজ্ঞাত পরিচয়ের মরদেহ উদ্ধারের পরই পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট তদন্তে নামে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নাইম, তার সহযোগী ইয়াসিন শেখ ও তুহিন প্রামানিককে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করেছে পুলিশ।
নিহত রিয়া (১৫) পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘপুর এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় মাওলানা কসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
এর আগে বুধবার সকালে ভাড়ারা ইউনিয়নের পিরপুর এলাকায় পদ্মা নদীর তীরে একটি বস্তা ভাসতে দেখে স্থানীয় কৃষকেরা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটির হাত বাঁধা ছিল এবং গলায় একটি বাজারের ব্যাগ পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর নিয়মিত মামলা রুজু করা হবে। পাশাপাশি ঘটনাটির অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত কিশোরীর সঙ্গে তার চাচাতো ভাইয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিক বাসায় দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে।
বুধবার বিকেলে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত নাইমের সঙ্গে কিশোরী রিয়ার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ একটি বস্তায় ভরে সহযোগীদের নিয়ে প্রাইভেটকারযোগে পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা এলাকার পদ্মা নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তদন্তে যৌন নির্যাতনের অভিযোগও উঠে এসেছে; এ বিষয়ে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত যাচাই করা হচ্ছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, বুধবার সকালে অজ্ঞাত পরিচয়ের মরদেহ উদ্ধারের পরই পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট তদন্তে নামে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নাইম, তার সহযোগী ইয়াসিন শেখ ও তুহিন প্রামানিককে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করেছে পুলিশ।
নিহত রিয়া (১৫) পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘপুর এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় মাওলানা কসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
এর আগে বুধবার সকালে ভাড়ারা ইউনিয়নের পিরপুর এলাকায় পদ্মা নদীর তীরে একটি বস্তা ভাসতে দেখে স্থানীয় কৃষকেরা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটির হাত বাঁধা ছিল এবং গলায় একটি বাজারের ব্যাগ পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর নিয়মিত মামলা রুজু করা হবে। পাশাপাশি ঘটনাটির অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পাবনা প্রতিনিধি: