চট্টগ্রামে পিকআপভ্যানচাপায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৮টার দিকে কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বিধান মল্লিক কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন এবং দুর্গাপদ মল্লিক একসময় চট্টগ্রামের ফিশারি ঘাট এলাকায় ব্যবসা করতেন। তারা সপরিবারে চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি পণ্যবাহী পিকআপভ্যান সেতু এলাকায় চলন্ত একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এ সময় মোটরসাইকেল থেকে বাবা-ছেলে দুজনেই ছিটকে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান বাবা দুর্গাপদ মল্লিক। গুরুতর অবস্থায় বিধান মল্লিককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্গাপদ মল্লিকের আরেক ছেলে বাবলা মল্লিক জানান, বাবাকে পথে নামিয়ে দিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল তার ভাই দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধান মল্লিকের। পথে শাহ আমাতন সেতুর ঢালে পেছন থেকে আসা একটি পিকআপভ্যান তাদের চাপা দেয়। বর্তমানে হাসপাতালের লাশ ঘরে তাদের মরদেহ রাখা আছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন স্বজনরা।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দীন তালুকদার জানান, দুর্ঘটনায় আহত অবস্থায় বিধান মল্লিককে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে নিহত তার বাবা দুর্গাপদ মল্লিকের মরদেহটিও উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৮টার দিকে কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বিধান মল্লিক কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন এবং দুর্গাপদ মল্লিক একসময় চট্টগ্রামের ফিশারি ঘাট এলাকায় ব্যবসা করতেন। তারা সপরিবারে চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি পণ্যবাহী পিকআপভ্যান সেতু এলাকায় চলন্ত একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এ সময় মোটরসাইকেল থেকে বাবা-ছেলে দুজনেই ছিটকে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান বাবা দুর্গাপদ মল্লিক। গুরুতর অবস্থায় বিধান মল্লিককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্গাপদ মল্লিকের আরেক ছেলে বাবলা মল্লিক জানান, বাবাকে পথে নামিয়ে দিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল তার ভাই দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধান মল্লিকের। পথে শাহ আমাতন সেতুর ঢালে পেছন থেকে আসা একটি পিকআপভ্যান তাদের চাপা দেয়। বর্তমানে হাসপাতালের লাশ ঘরে তাদের মরদেহ রাখা আছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন স্বজনরা।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দীন তালুকদার জানান, দুর্ঘটনায় আহত অবস্থায় বিধান মল্লিককে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে নিহত তার বাবা দুর্গাপদ মল্লিকের মরদেহটিও উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
অনলাইন ডেস্ক