রাজশাহীর দারুসা ইউনিয়নের শেখপাড়া এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক শেখের আমবাগানে দুদিনব্যাপী ঈদ উৎসব, গ্রাম্য মেলা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার বিকেলে সমাপনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
ডাঙ্গেরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও রাজশাহী মহানগর জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মো. আসলাম আলীর সভাপতিত্বে সমাপনী দিনের অনুষ্ঠান হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সালাম, রাজশাহী মহানগর জাসাসের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. রজব আলী ও সদস্যসচিব সেলিম রেজা।
এছাড়া পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সিনিয়র জিএম তানভির আল আজাদ, হুজুরিপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাজদার রহমান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম এবং ইউপি সদস্য ইসাহাক আলী, জয়নুল আবেদীন ও সেলিম মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, ঈদ উৎসব মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও আনন্দের বার্তা ছড়িয়ে দেয়। এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
দুদিনব্যাপী এ উৎসবে গ্রাম্য মেলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন ছিল। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ মেলা উপভোগ করতে আসেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, গ্রামীণ ঐতিহ্য ধরে রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
সোমবার বিকেলে সমাপনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
ডাঙ্গেরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও রাজশাহী মহানগর জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মো. আসলাম আলীর সভাপতিত্বে সমাপনী দিনের অনুষ্ঠান হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সালাম, রাজশাহী মহানগর জাসাসের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. রজব আলী ও সদস্যসচিব সেলিম রেজা।
এছাড়া পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সিনিয়র জিএম তানভির আল আজাদ, হুজুরিপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাজদার রহমান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম এবং ইউপি সদস্য ইসাহাক আলী, জয়নুল আবেদীন ও সেলিম মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, ঈদ উৎসব মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও আনন্দের বার্তা ছড়িয়ে দেয়। এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
দুদিনব্যাপী এ উৎসবে গ্রাম্য মেলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন ছিল। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ মেলা উপভোগ করতে আসেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, গ্রামীণ ঐতিহ্য ধরে রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক