প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল-আওয়াল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সিগনেচার প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হতে হবে। সরকারি প্রকল্পের সুফল তৃণমূল পর্যায়ে সঠিকভাবে পৌঁছাতে না পারা সরকারের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণে গৃহীত বিশেষ প্রকল্পগুলো কোনোভাবেই যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সজাগ থাকতে হবে।
সোমবার সকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সিগনেচার প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আব্দুল-আওয়াল জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিনি রাজশাহীতে বাস্তবায়নাধীন সিগনেচার প্রকল্পগুলোর বিশেষ মনিটরিং করতে এসেছেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, তরুণদের কর্মসংস্থান, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ভাতা প্রদান, ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা, সমবায় পুনরুজ্জীবন, ই-কমার্স আঞ্চলিক হাব স্থাপন, উত্তরাঞ্চলে কৃষি রপ্তানি অঞ্চল গড়ে তোলা, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যখাত উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও কৃষি উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্মসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রত্যয় বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নাগরিকদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে এসব প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ভাতা প্রদান কার্যক্রমে কোনো ধরনের সমস্যা যাতে না হয়, সে জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।
মুখ্য সমন্বয়ক বিভাগে বসবাসরত আদিবাসীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিবেদন তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি খাল খনন কর্মসূচির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন।
স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউনিয়ন ও মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর উন্নয়ন তৃণমূল জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে ড. আব্দুল-আওয়াল বলেন, এটি শুধু একটি কার্ড নয়। এর মাধ্যমে একটি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলে তাদের সঞ্চয়ের প্রবণতা ও ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে। ফলে বাজারে পণ্যের চাহিদা সৃষ্টি হয় এবং পর্যায়ক্রমে কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়তা করে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সিগনেচার প্রকল্প মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে পরিকল্পিত হয়েছে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার উদাহরণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার সময়ের ব্যবধান খুব বেশি না হলেও মালয়েশিয়া যে উন্নয়ন অর্জন করেছে, বাংলাদেশকেও সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।
সভায় বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পিকেএসএফ ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো উচ্চপর্যায়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ শাহজাহান এবং কাজী শহিদুল ইসলাম। এছাড়া রাজশাহীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
সোমবার সকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সিগনেচার প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আব্দুল-আওয়াল জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিনি রাজশাহীতে বাস্তবায়নাধীন সিগনেচার প্রকল্পগুলোর বিশেষ মনিটরিং করতে এসেছেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, তরুণদের কর্মসংস্থান, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ভাতা প্রদান, ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা, সমবায় পুনরুজ্জীবন, ই-কমার্স আঞ্চলিক হাব স্থাপন, উত্তরাঞ্চলে কৃষি রপ্তানি অঞ্চল গড়ে তোলা, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যখাত উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও কৃষি উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্মসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রত্যয় বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নাগরিকদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে এসব প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ভাতা প্রদান কার্যক্রমে কোনো ধরনের সমস্যা যাতে না হয়, সে জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।
মুখ্য সমন্বয়ক বিভাগে বসবাসরত আদিবাসীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিবেদন তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি খাল খনন কর্মসূচির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন।
স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউনিয়ন ও মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর উন্নয়ন তৃণমূল জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে ড. আব্দুল-আওয়াল বলেন, এটি শুধু একটি কার্ড নয়। এর মাধ্যমে একটি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলে তাদের সঞ্চয়ের প্রবণতা ও ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে। ফলে বাজারে পণ্যের চাহিদা সৃষ্টি হয় এবং পর্যায়ক্রমে কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়তা করে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সিগনেচার প্রকল্প মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে পরিকল্পিত হয়েছে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার উদাহরণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার সময়ের ব্যবধান খুব বেশি না হলেও মালয়েশিয়া যে উন্নয়ন অর্জন করেছে, বাংলাদেশকেও সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।
সভায় বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পিকেএসএফ ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো উচ্চপর্যায়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ শাহজাহান এবং কাজী শহিদুল ইসলাম। এছাড়া রাজশাহীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :