নাটোরের লালপুরে একটি জুট মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৮৩ লাখ টাকার মালপত্র লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতদল। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার অর্জুনপুর বরমহাটি ইউনিয়নের শ্রীরামগাড়ী এলাকায় অবস্থিত ‘সাজিদ জুট মিলস’-এ এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
এ ডাকাতির ঘটনায় রবিবার মিলের স্বত্বাধিকারী সাজিদ মল্লিক বাদী হয়ে ৩৫-৪০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে লালপুর থানায় একটি মামলা করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুখে মাস্ক, হাফ প্যান্ট ও গেঞ্জি পরিহিত ৩৫-৪০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল জুট মিলের ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা জুট মিলে কর্মরত কর্মীদের অস্ত্রের দেখিয়ে জিম্মি করে। এরপর পুরুষ ও নারীদের আলাদা কক্ষে হাত-পা বেঁধে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়।
মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত ডাকাতরা মিলের গুদাম ও বিভিন্ন কক্ষে লুটপাট চালায়। তারা মিলের একটি ৬৩০ কেভিএ ট্রান্সফর্মার (আনুমানিক মূল্য ১৪ লাখ টাকা), সাব-স্টেশনের যন্ত্রাংশ (১৫ লাখ টাকা), প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের বৈদ্যুতিক তার, ৪টি ব্যাটারি (১ লাখ ৬০ হাজার টাকা), ১৫টি ২৫ হর্স পাওয়ারের মোটর (১০ লাখ টাকা) এবং প্রায় ৬ লাখ টাকার খুচরা যন্ত্রাংশ লুট করে। এ ছাড়া কর্মীদের কাছ থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ প্রায় ২ লাখ টাকা নিয়ে ট্রাকে করে পালিয়ে যায় তারা।
জুট মিলের মালিক সাজিদ মল্লিক বলেন কর্মচারীদের হাত-পা খুলে দেওয়ার পর তারা আমাকে বিষয়টি জানায়।
এই ঘটনায় আমরা সবাই আতঙ্কিত। আমি প্রশাসনের কাছে দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তার ও আমাদের সর্বস্ব ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে একটি ডাকাতির মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং সারা দেশের থানাগুলোতে বার্তা পাঠানো হয়েছে। আসামিদের শনাক্তকরণ ও মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
এ ডাকাতির ঘটনায় রবিবার মিলের স্বত্বাধিকারী সাজিদ মল্লিক বাদী হয়ে ৩৫-৪০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে লালপুর থানায় একটি মামলা করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুখে মাস্ক, হাফ প্যান্ট ও গেঞ্জি পরিহিত ৩৫-৪০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল জুট মিলের ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা জুট মিলে কর্মরত কর্মীদের অস্ত্রের দেখিয়ে জিম্মি করে। এরপর পুরুষ ও নারীদের আলাদা কক্ষে হাত-পা বেঁধে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়।
মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত ডাকাতরা মিলের গুদাম ও বিভিন্ন কক্ষে লুটপাট চালায়। তারা মিলের একটি ৬৩০ কেভিএ ট্রান্সফর্মার (আনুমানিক মূল্য ১৪ লাখ টাকা), সাব-স্টেশনের যন্ত্রাংশ (১৫ লাখ টাকা), প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের বৈদ্যুতিক তার, ৪টি ব্যাটারি (১ লাখ ৬০ হাজার টাকা), ১৫টি ২৫ হর্স পাওয়ারের মোটর (১০ লাখ টাকা) এবং প্রায় ৬ লাখ টাকার খুচরা যন্ত্রাংশ লুট করে। এ ছাড়া কর্মীদের কাছ থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ প্রায় ২ লাখ টাকা নিয়ে ট্রাকে করে পালিয়ে যায় তারা।
জুট মিলের মালিক সাজিদ মল্লিক বলেন কর্মচারীদের হাত-পা খুলে দেওয়ার পর তারা আমাকে বিষয়টি জানায়।
এই ঘটনায় আমরা সবাই আতঙ্কিত। আমি প্রশাসনের কাছে দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তার ও আমাদের সর্বস্ব ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে একটি ডাকাতির মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং সারা দেশের থানাগুলোতে বার্তা পাঠানো হয়েছে। আসামিদের শনাক্তকরণ ও মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
নাটোর প্রতিনিধি: