দুই দশকেরও কম সময়ে আফ্রিকার ফুটবলে বড় পরিবর্তনের গল্প লিখেছে মরক্কো। একসময় আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (AFCON) গ্রুপ পর্বেই নিয়মিত বিদায় নেওয়া এবং একাধিক বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়া দলটি এখন ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে অবস্থান করছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়ার পর আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপেও তাদেরকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
মরক্কোর সাফল্য শুধু পুরুষ জাতীয় দলেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বয়সভিত্তিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের ফুটবলেও তাদের আধিপত্য দেখা যাচ্ছে। ২০২৫ সালে তারা এএফকন, নারী আফ্রিকা কাপ অব নেশনস, আরব কাপ, আফ্রিকান নেশনস চ্যাম্পিয়নশিপ, অনূর্ধ্ব-২০ ফিফা বিশ্বকাপ, অনূর্ধ্ব-১৭ আফ্রিকা কাপ অব নেশনস, অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ এবং ফিফা ফিউটসাল এএফকনসহ একাধিক শিরোপা অর্জন করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সাফল্যের পেছনে কোনো একক জাদু ফর্মুলা নেই। মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক সূত্র জানায়, দেশের ফুটবল উন্নয়নের ভিত্তি তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—সুশাসন, আর্থিক বিনিয়োগ এবং দক্ষ মানবসম্পদ।
২০০৮ সালে স্কিরাত স্পোর্টস কনফারেন্সে রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নির্ধারণ করেন, সেটিই এই রূপান্তরের সূচনা বলে মনে করা হয়।
পর্যায়ক্রমে আর্থিক কাঠামো সংস্কার, ফেডারেশনের অধীনে অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বিভাগ গঠন এবং ফুটবলের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়। একইসঙ্গে দেশজুড়ে ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন শুরু হয়।
এর অংশ হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে হাজার হাজার ‘প্রক্সিমিটি ফুটবল মাঠ’ তৈরি করা হয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত। পাশাপাশি রাবাতের কাছে মাওয়ামুরার মোহাম্মদ ষষ্ঠ ফুটবল কমপ্লেক্স ও একাডেমি গড়ে তোলা হয়, যা ইউরোপের শীর্ষ টেকনিক্যাল সেন্টারগুলোর সঙ্গে তুলনীয়।
এই একাডেমি থেকে উঠে এসেছে জাতীয় দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, যেমন নায়েফ আগের্ড, আজ্জেদিন উনাহি এবং ইউসেফ এন-নেসিরি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে ফিফার যোগ্যতা নিয়ম শিথিল হওয়ার পর, যার ফলে ইউরোপে জন্ম নেওয়া মরক্কান বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়। এই ধারায় হাকিম জিয়েচ, নরদিন আমরাবাত এবং ব্রাহিম দিয়াজের মতো তারকারা দলকে শক্তিশালী করেন।
সাম্প্রতিক সংযোজন হিসেবে ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার আয়্যুব বুয়াদি এখন মরক্কো দলের ভবিষ্যৎ তারকা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। ফরাসি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এমনকি জিনেদিন জিদানও তাকে ফ্রান্স দলে রাখার বিষয়ে যোগাযোগ করেছিলেন।
মরক্কোর সাফল্য শুধু পুরুষ জাতীয় দলেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বয়সভিত্তিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের ফুটবলেও তাদের আধিপত্য দেখা যাচ্ছে। ২০২৫ সালে তারা এএফকন, নারী আফ্রিকা কাপ অব নেশনস, আরব কাপ, আফ্রিকান নেশনস চ্যাম্পিয়নশিপ, অনূর্ধ্ব-২০ ফিফা বিশ্বকাপ, অনূর্ধ্ব-১৭ আফ্রিকা কাপ অব নেশনস, অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ এবং ফিফা ফিউটসাল এএফকনসহ একাধিক শিরোপা অর্জন করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সাফল্যের পেছনে কোনো একক জাদু ফর্মুলা নেই। মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক সূত্র জানায়, দেশের ফুটবল উন্নয়নের ভিত্তি তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—সুশাসন, আর্থিক বিনিয়োগ এবং দক্ষ মানবসম্পদ।
২০০৮ সালে স্কিরাত স্পোর্টস কনফারেন্সে রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নির্ধারণ করেন, সেটিই এই রূপান্তরের সূচনা বলে মনে করা হয়।
পর্যায়ক্রমে আর্থিক কাঠামো সংস্কার, ফেডারেশনের অধীনে অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বিভাগ গঠন এবং ফুটবলের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়। একইসঙ্গে দেশজুড়ে ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন শুরু হয়।
এর অংশ হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে হাজার হাজার ‘প্রক্সিমিটি ফুটবল মাঠ’ তৈরি করা হয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত। পাশাপাশি রাবাতের কাছে মাওয়ামুরার মোহাম্মদ ষষ্ঠ ফুটবল কমপ্লেক্স ও একাডেমি গড়ে তোলা হয়, যা ইউরোপের শীর্ষ টেকনিক্যাল সেন্টারগুলোর সঙ্গে তুলনীয়।
এই একাডেমি থেকে উঠে এসেছে জাতীয় দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, যেমন নায়েফ আগের্ড, আজ্জেদিন উনাহি এবং ইউসেফ এন-নেসিরি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে ফিফার যোগ্যতা নিয়ম শিথিল হওয়ার পর, যার ফলে ইউরোপে জন্ম নেওয়া মরক্কান বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়। এই ধারায় হাকিম জিয়েচ, নরদিন আমরাবাত এবং ব্রাহিম দিয়াজের মতো তারকারা দলকে শক্তিশালী করেন।
সাম্প্রতিক সংযোজন হিসেবে ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার আয়্যুব বুয়াদি এখন মরক্কো দলের ভবিষ্যৎ তারকা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। ফরাসি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এমনকি জিনেদিন জিদানও তাকে ফ্রান্স দলে রাখার বিষয়ে যোগাযোগ করেছিলেন।
মিজানুর রহমান টনি