ঈদ মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর আপনজনদের সঙ্গে সময় কাটানো। তবে সেই আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তুলতে নিজ গ্রামের অসহায় মানুষকে ফ্রি চিকিৎসা ও ঔষধ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন চিকিৎসক দম্পতি ডা. তৈমুর রহমান টেলু ও ডা. রেজওয়ানা শারমিন লিমা।
শনিবার (৩০ মে ২০২৬) শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকীতে নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের মোহরকয়া (ঝাপড়া
বটতলা) গ্রামে তাঁরা আয়োজন করেন একটি ব্যতিক্রমধর্মী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প। রাজধানী ঢাকার কর্মব্যস্ত জীবন থেকে ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাড়িতে এসে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দরিদ্র, অসহায় ও চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেন তাঁরা। পাশাপাশি ৩ লক্ষাধিক টাকার ঔষধ বিতরণ করেন বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক দম্পতি।
স্থানীয়রা জানান, গ্রামের অনেক মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল রোগে ভুগলেও অর্থাভাবে চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন না। বিশেষ করে নারী, বয়স্ক ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসা অনেকটাই নাগালের বাইরে। এমন বাস্তবতায় ঈদের সময় দুই চিকিৎসকের এই মানবিক উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তারা বলেন, ঈদের সময় মানুষ সাধারণত নিজের পরিবার ও উৎসব নিয়েই ব্যস্ত থাকে। কিন্তু এই চিকিৎসক দম্পতি সেই সময়টাকেই বেছে নিয়েছেন গ্রামের গরিব ও অসহায় মানুষের সেবায়। তাদের এমন উদ্যোগ শুধু চিকিৎসাসেবাই নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সামাজিক দায়বদ্ধতারও উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
ডা. তৈমুর রহমান টেলু বর্তমানে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে সহযোগী অধ্যাপক (স্পাইন সার্জারি) হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে তাঁর সহধর্মিণী ডা. রেজওয়ানা শারমিন লিমা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহকারী অধ্যাপক (অবস অ্যান্ড গাইনি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চিকিৎসা পেশার ব্যস্ততার মাঝেও নিজ এলাকার মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানান তাঁরা।
শুধু একদিনের চিকিৎসাসেবা দিয়েই থেমে থাকতে চান না এই দম্পতি। তাঁরা জানিয়েছেন, এলাকার যেকোনো মানুষ উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে ঢাকায় গেলে তাদের সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করবেন। প্রয়োজনীয় পরামর্শ, চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ কিংবা হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা পেতে যাতে মানুষ ভোগান্তিতে না পড়েন, সেজন্যও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
সচেতন মহলের মতে, সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা যদি নিজ নিজ এলাকার মানুষের পাশে এভাবে দাঁড়ান, তাহলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার চিত্র অনেকটাই বদলে যেতে
পারে। আর সেই মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ডা. তৈমুর ও ডা. রেজওয়ানা দম্পতি।
শনিবার (৩০ মে ২০২৬) শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকীতে নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের মোহরকয়া (ঝাপড়া
বটতলা) গ্রামে তাঁরা আয়োজন করেন একটি ব্যতিক্রমধর্মী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প। রাজধানী ঢাকার কর্মব্যস্ত জীবন থেকে ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাড়িতে এসে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দরিদ্র, অসহায় ও চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেন তাঁরা। পাশাপাশি ৩ লক্ষাধিক টাকার ঔষধ বিতরণ করেন বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক দম্পতি।
স্থানীয়রা জানান, গ্রামের অনেক মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল রোগে ভুগলেও অর্থাভাবে চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন না। বিশেষ করে নারী, বয়স্ক ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসা অনেকটাই নাগালের বাইরে। এমন বাস্তবতায় ঈদের সময় দুই চিকিৎসকের এই মানবিক উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তারা বলেন, ঈদের সময় মানুষ সাধারণত নিজের পরিবার ও উৎসব নিয়েই ব্যস্ত থাকে। কিন্তু এই চিকিৎসক দম্পতি সেই সময়টাকেই বেছে নিয়েছেন গ্রামের গরিব ও অসহায় মানুষের সেবায়। তাদের এমন উদ্যোগ শুধু চিকিৎসাসেবাই নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সামাজিক দায়বদ্ধতারও উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
ডা. তৈমুর রহমান টেলু বর্তমানে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে সহযোগী অধ্যাপক (স্পাইন সার্জারি) হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে তাঁর সহধর্মিণী ডা. রেজওয়ানা শারমিন লিমা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহকারী অধ্যাপক (অবস অ্যান্ড গাইনি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চিকিৎসা পেশার ব্যস্ততার মাঝেও নিজ এলাকার মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানান তাঁরা।
শুধু একদিনের চিকিৎসাসেবা দিয়েই থেমে থাকতে চান না এই দম্পতি। তাঁরা জানিয়েছেন, এলাকার যেকোনো মানুষ উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে ঢাকায় গেলে তাদের সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করবেন। প্রয়োজনীয় পরামর্শ, চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ কিংবা হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা পেতে যাতে মানুষ ভোগান্তিতে না পড়েন, সেজন্যও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
সচেতন মহলের মতে, সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা যদি নিজ নিজ এলাকার মানুষের পাশে এভাবে দাঁড়ান, তাহলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার চিত্র অনেকটাই বদলে যেতে
পারে। আর সেই মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ডা. তৈমুর ও ডা. রেজওয়ানা দম্পতি।
নাহিদ হোসেন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি