ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর শর্ত নিয়ে আলোচনা করতে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই সেই বৈঠক শেষ হয়েছে বলে ওভাল অফিসের তরফে জানানো হল।
ট্রাম্প নিজে কিছু না বললেও শনিবার মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ বলেন, ‘‘যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে কোনও চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করা হবে।’’ তবে হেগসেথ শনিবার হোয়াইট হাউসে ছিলেন না। ‘শাংগ্রিলা ডায়ালগ’-এ যোগ দিতে তিনি রয়েছেন সিঙ্গাপুরে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে বৈঠক শুরুর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, বৈঠকে তিনি নতুন প্রস্তাবটির বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নেবেন। ওই প্রস্তাব অনুযায়ী, এপ্রিলের গোড়ায় দু’দেশের মধ্যে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো হবে।
প্রসঙ্গত, ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির জন্য ইরানকে দু’টি শর্ত দিয়েছেন। প্রথমত, হরমুজ প্রণালীর উপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার এবং সেখানে যুদ্ধ-পূর্ববর্তী পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা। দ্বিতীয়ত, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকাকে হস্তান্তর এবং ভবিষ্যতে পরমাণু অস্ত্র তৈরির সমস্ত পথ বন্ধ করা। কোনওটিতেই তেহরান এখনও রাজি হয়নি। মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী থেকে ইরান তার নিয়ন্ত্রণ সরিয়ে নিলে আমেরিকাও ইরানের জাহাজের উপর থেকে অবরোধ ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করে নেবে। অন্য দিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সরকার আমেরিকার পরিবর্তে রাশিয়াকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মতির কথা জানিয়েছে।
ট্রাম্প নিজে কিছু না বললেও শনিবার মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ বলেন, ‘‘যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে কোনও চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করা হবে।’’ তবে হেগসেথ শনিবার হোয়াইট হাউসে ছিলেন না। ‘শাংগ্রিলা ডায়ালগ’-এ যোগ দিতে তিনি রয়েছেন সিঙ্গাপুরে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে বৈঠক শুরুর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, বৈঠকে তিনি নতুন প্রস্তাবটির বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নেবেন। ওই প্রস্তাব অনুযায়ী, এপ্রিলের গোড়ায় দু’দেশের মধ্যে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো হবে।
প্রসঙ্গত, ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির জন্য ইরানকে দু’টি শর্ত দিয়েছেন। প্রথমত, হরমুজ প্রণালীর উপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার এবং সেখানে যুদ্ধ-পূর্ববর্তী পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা। দ্বিতীয়ত, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকাকে হস্তান্তর এবং ভবিষ্যতে পরমাণু অস্ত্র তৈরির সমস্ত পথ বন্ধ করা। কোনওটিতেই তেহরান এখনও রাজি হয়নি। মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী থেকে ইরান তার নিয়ন্ত্রণ সরিয়ে নিলে আমেরিকাও ইরানের জাহাজের উপর থেকে অবরোধ ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করে নেবে। অন্য দিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সরকার আমেরিকার পরিবর্তে রাশিয়াকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মতির কথা জানিয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক