রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে গাফিলতির অভিযোগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থার আওতায় (ওএসডি) পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে।
তবে ঘটনাটির কিছু অংশ বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে পরিদর্শন করেছেন এবং উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপস্থিতি, এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে ঢাকার কয়েকটি এলাকায় কোরবানির বর্জ্য ও ময়লা পড়ে থাকার বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে এক আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে পশুর বর্জ্য, রক্ত ও উচ্ছিষ্ট পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়।
এরপরই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজিরকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত (ওএসডি) করার সিদ্ধান্ত হয় বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলার কারণে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। উভয় কর্মকর্তাই উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শতভাগ বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও রাজধানীর একাধিক এলাকায় বর্জ্য রয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে।
ঈদুল আজহার সময় রাজধানীতে কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বড় ধরনের প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। অতীতেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ বর্জ্য অপসারণ না হওয়া নিয়ে সমালোচনা ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির রয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে সরকারি পর্যায় থেকে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পুরোপুরি স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে কিছু তথ্য বিভিন্ন সূত্রনির্ভর এবং যাচাই সাপেক্ষ।
কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতির অভিযোগের পর দুই সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠে এসেছে, তবে পুরো ঘটনার কিছু অংশ এখনো বিভিন্ন সূত্রনির্ভর হিসেবে বিবেচিত।
তবে ঘটনাটির কিছু অংশ বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে পরিদর্শন করেছেন এবং উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপস্থিতি, এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে ঢাকার কয়েকটি এলাকায় কোরবানির বর্জ্য ও ময়লা পড়ে থাকার বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে এক আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে পশুর বর্জ্য, রক্ত ও উচ্ছিষ্ট পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়।
এরপরই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজিরকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত (ওএসডি) করার সিদ্ধান্ত হয় বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলার কারণে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। উভয় কর্মকর্তাই উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শতভাগ বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও রাজধানীর একাধিক এলাকায় বর্জ্য রয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে।
ঈদুল আজহার সময় রাজধানীতে কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বড় ধরনের প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। অতীতেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ বর্জ্য অপসারণ না হওয়া নিয়ে সমালোচনা ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির রয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে সরকারি পর্যায় থেকে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পুরোপুরি স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে কিছু তথ্য বিভিন্ন সূত্রনির্ভর এবং যাচাই সাপেক্ষ।
কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতির অভিযোগের পর দুই সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠে এসেছে, তবে পুরো ঘটনার কিছু অংশ এখনো বিভিন্ন সূত্রনির্ভর হিসেবে বিবেচিত।
অনলাইন ডেস্ক