সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা, ন্যায্য বেতন নিশ্চিত এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন ও ঐক্যের অভাব থাকায় অনেক গণমাধ্যমকর্মী আজও ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী ন্যায্য বেতন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সাংবাদিকতা অত্যন্ত কঠিন, ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং একটি পেশা। পৃথিবীর এমন কোনো দেশ নেই, যেখানে সাংবাদিকরা নির্যাতনের শিকার হননি। অথচ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম।”তিনি বলেন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই দেশ ও জাতির কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। সংবাদ প্রকাশের আগে অভিযুক্ত কিংবা বিপরীত পক্ষের বক্তব্য নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের বেশি বেশি পড়াশোনা ও তথ্যভিত্তিক লেখালেখির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সাংবাদিকতার মর্যাদা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সম্পাদক মানিক মিয়া মন্ত্রী না হয়েও মন্ত্রী তৈরি করেছেন। একজন সাংবাদিকের কলম সমাজকে বদলে দেওয়ার শক্তি রাখে।
সভায় তিনি বহুল আলোচিত সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই হত্যার রহস্য উদঘাটন না হওয়া জাতির জন্য দুঃখজনক।দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাংবাদিকদের দেশ ও মানুষের পক্ষে আরও সাহসী ভূমিকা রাখতে হবে।
এ সময় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমকে যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন আরও শক্তিশালী হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশের জন্যও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠুসহ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সাংবাদিকতা অত্যন্ত কঠিন, ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং একটি পেশা। পৃথিবীর এমন কোনো দেশ নেই, যেখানে সাংবাদিকরা নির্যাতনের শিকার হননি। অথচ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম।”তিনি বলেন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই দেশ ও জাতির কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। সংবাদ প্রকাশের আগে অভিযুক্ত কিংবা বিপরীত পক্ষের বক্তব্য নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের বেশি বেশি পড়াশোনা ও তথ্যভিত্তিক লেখালেখির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সাংবাদিকতার মর্যাদা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সম্পাদক মানিক মিয়া মন্ত্রী না হয়েও মন্ত্রী তৈরি করেছেন। একজন সাংবাদিকের কলম সমাজকে বদলে দেওয়ার শক্তি রাখে।
সভায় তিনি বহুল আলোচিত সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই হত্যার রহস্য উদঘাটন না হওয়া জাতির জন্য দুঃখজনক।দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাংবাদিকদের দেশ ও মানুষের পক্ষে আরও সাহসী ভূমিকা রাখতে হবে।
এ সময় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমকে যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন আরও শক্তিশালী হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশের জন্যও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠুসহ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মোবারক আলী, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: