ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিন্নাপাড়া গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে বাবা ও দুই ছেলেকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার (২৭ মে) সকাল ৮ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- হেলাল খান (৭৫), তার ছেলে দুই ছেলে সোহেল খান (৪০) ও রানা খান (৩০)। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিয়ে আসে। তারা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহতরা জানিয়েছে, হেলাল খানের ছেলে বাবু খানের জমির কলাগাছ ও কাটা তারের বেড়া ভেঙে ফেলে হচ্ছে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বাবা ও দুই ছেলে। এমন সময় প্রতিপক্ষ সোহাগ মীর, ছেলে তুষার মীর ও মেয়ে তিশা আক্তার মিলে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। দা রামদা দিয়ে বাবা হেলাল খান ও দুই ছেলেকে এলোপাতারি কুপিয়ে মারাত্মকভারে জখম করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের ধারালো অস্ত্রের চিহ্ন রয়েছে।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক গোপাল শীল বলেন, আহত একই পরিবারের তিনজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এদের জখম করা হয়েছে।
এ ঘটনায় হামাকারীদের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া প্রস্তুতি চলছে বলে জানান আহতের পরিবার।
বুধবার (২৭ মে) সকাল ৮ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- হেলাল খান (৭৫), তার ছেলে দুই ছেলে সোহেল খান (৪০) ও রানা খান (৩০)। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিয়ে আসে। তারা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহতরা জানিয়েছে, হেলাল খানের ছেলে বাবু খানের জমির কলাগাছ ও কাটা তারের বেড়া ভেঙে ফেলে হচ্ছে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বাবা ও দুই ছেলে। এমন সময় প্রতিপক্ষ সোহাগ মীর, ছেলে তুষার মীর ও মেয়ে তিশা আক্তার মিলে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। দা রামদা দিয়ে বাবা হেলাল খান ও দুই ছেলেকে এলোপাতারি কুপিয়ে মারাত্মকভারে জখম করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের ধারালো অস্ত্রের চিহ্ন রয়েছে।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক গোপাল শীল বলেন, আহত একই পরিবারের তিনজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এদের জখম করা হয়েছে।
এ ঘটনায় হামাকারীদের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া প্রস্তুতি চলছে বলে জানান আহতের পরিবার।
অনলাইন ডেস্ক