ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসের একটি সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এর জবাবে একটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার পর তারা ওই অঞ্চলে একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তবে ঘাঁটিটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করেনি তারা।
এদিকে কুয়েত জানিয়েছে, তারা শত্রুতামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হুমকি প্রতিহত করেছে। যদিও এসব হামলা কোথা থেকে এসেছে তা স্পষ্ট করা হয়নি। কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে হুমকি তৈরি করা ইরানের চারটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক’ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, পঞ্চম ড্রোনটি উৎক্ষেপণের প্রস্তুতির সময়ই বন্দর আব্বাসের ওই সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বন্দর আব্বাস শহরের পূর্বাঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তিন দিনের মধ্যে এটি দ্বিতীয়বারের মতো ইরানে মার্কিন হামলার ঘটনা।
মার্কিন বাহিনী এসব হামলাকে আত্মরক্ষামূলক বলে দাবি করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, তাদের সেনাদের ওপর সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত সোমবারও দক্ষিণ ইরানে আরেকটি হামলার কথা নিশ্চিত করেছিল সেন্টকম। তখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপনের চেষ্টাকারী নৌযানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে দাবি করে তারা।
অন্যদিকে ইরান এসব হামলাকে যুদ্ধবিরতির চরম লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে। তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, কোনো শত্রুতার জবাব না দিয়ে ছাড়বে না ইরান সরকার।
চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচল কার্যত ব্যাহত হয়েছে। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্বের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
সংঘাতের মধ্যে হাজার হাজার বাণিজ্যিক ট্যাংকার জাহাজ ওই এলাকায় আটকা পড়ে আছে বলে জানা গেছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান শেষ সম্বল দিয়ে আলোচনা করছে। তিনি বলেন, হয়তো আমাদের ফিরে গিয়ে কাজটা শেষ করতে হবে, আবার হয়তো হবে না।
ট্রাম্প আরও জানান, ইরান সংঘাত নিরসনে চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও এখনো সমঝোতার পর্যায়ে পৌঁছানো যায়নি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় বড় ধরনের হামলা চালাতে প্রস্তুত।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio দাবি করেছেন, আলোচনায় “কিছু অগ্রগতি” হয়েছে এবং আগামী কয়েক ঘণ্টা বা দিনের মধ্যে আরও অগ্রগতি সম্ভব কি না তা বোঝা যাবে।
অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে একটি খসড়া চুক্তির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস ওই খসড়াকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা” বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ‘পারসিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি’ নামের একটি ইরানি প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে অর্থ আদায় করা এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন করলে সংশ্লিষ্ট জাহাজও নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী Scott Bessent এই ব্যবস্থাকে “বিশ্ব সামুদ্রিক বাণিজ্যকে চাঁদাবাজির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের ইরানি সামরিক বাহিনীর সর্বশেষ চেষ্টা” বলে মন্তব্য করেছেন।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার পর তারা ওই অঞ্চলে একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তবে ঘাঁটিটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করেনি তারা।
এদিকে কুয়েত জানিয়েছে, তারা শত্রুতামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হুমকি প্রতিহত করেছে। যদিও এসব হামলা কোথা থেকে এসেছে তা স্পষ্ট করা হয়নি। কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে হুমকি তৈরি করা ইরানের চারটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক’ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, পঞ্চম ড্রোনটি উৎক্ষেপণের প্রস্তুতির সময়ই বন্দর আব্বাসের ওই সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বন্দর আব্বাস শহরের পূর্বাঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তিন দিনের মধ্যে এটি দ্বিতীয়বারের মতো ইরানে মার্কিন হামলার ঘটনা।
মার্কিন বাহিনী এসব হামলাকে আত্মরক্ষামূলক বলে দাবি করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, তাদের সেনাদের ওপর সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত সোমবারও দক্ষিণ ইরানে আরেকটি হামলার কথা নিশ্চিত করেছিল সেন্টকম। তখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপনের চেষ্টাকারী নৌযানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে দাবি করে তারা।
অন্যদিকে ইরান এসব হামলাকে যুদ্ধবিরতির চরম লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে। তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, কোনো শত্রুতার জবাব না দিয়ে ছাড়বে না ইরান সরকার।
চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচল কার্যত ব্যাহত হয়েছে। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্বের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
সংঘাতের মধ্যে হাজার হাজার বাণিজ্যিক ট্যাংকার জাহাজ ওই এলাকায় আটকা পড়ে আছে বলে জানা গেছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান শেষ সম্বল দিয়ে আলোচনা করছে। তিনি বলেন, হয়তো আমাদের ফিরে গিয়ে কাজটা শেষ করতে হবে, আবার হয়তো হবে না।
ট্রাম্প আরও জানান, ইরান সংঘাত নিরসনে চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও এখনো সমঝোতার পর্যায়ে পৌঁছানো যায়নি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় বড় ধরনের হামলা চালাতে প্রস্তুত।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio দাবি করেছেন, আলোচনায় “কিছু অগ্রগতি” হয়েছে এবং আগামী কয়েক ঘণ্টা বা দিনের মধ্যে আরও অগ্রগতি সম্ভব কি না তা বোঝা যাবে।
অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে একটি খসড়া চুক্তির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস ওই খসড়াকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা” বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ‘পারসিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি’ নামের একটি ইরানি প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে অর্থ আদায় করা এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন করলে সংশ্লিষ্ট জাহাজও নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী Scott Bessent এই ব্যবস্থাকে “বিশ্ব সামুদ্রিক বাণিজ্যকে চাঁদাবাজির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের ইরানি সামরিক বাহিনীর সর্বশেষ চেষ্টা” বলে মন্তব্য করেছেন।
আন্তজার্তিক ডেস্ক