দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙে এবার রেড রোডের পরিবর্তে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হল ঈদের নামাজ।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ব্রিগেডে মুসল্লিদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কড়া নিরাপত্তা এবং বিশেষ প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় ঈদ উদযাপন।
এতদিন বছরে দু’বার রেড রোড চত্বরে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হলেও এবার স্থান পরিবর্তন করে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজন করা হয়। কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিগেড সহ গোটা শহরজুড়েই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। মাঠের চারদিকে মোতায়েন ছিল বিপুল পুলিশ বাহিনী।
মুসল্লিদের সুবিধার জন্য মাঠে বিশেষ মঞ্চ তৈরি করা হয়। পাশাপাশি অস্থায়ী শৌচাগার, পানীয় জল ও শব্দবর্ধক যন্ত্রের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল যাতে সবাই নির্বিঘ্নে নামাজে অংশ নিতে পারেন। সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে সমস্যা না হয়, সে দিকেও নজর দেয় প্রশাসন।
তবে ব্রিগেডে ঈদের নামাজ এই প্রথম নয়। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ১৯৭৮ সালে বামফ্রন্ট সরকারের শুরুর সময়ে ব্রিগেডেই ঈদের নামাজ আয়োজন করা হয়েছিল। পরে দীর্ঘদিন রেড রোডেই এই প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ফের ব্রিগেডে নামাজ আয়োজন করা হয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশে এবং পুলিশ প্রশাসনের কড়া তত্ত্বাবধানে মাঠের নির্দিষ্ট অংশ গার্ডরেল দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়।
এদিকে ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা সুবেন্দু অধিকারী। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ তিনি লেখেন, “যাঁরা ঈদ পালন করছেন তাঁদের প্রত্যেককে আমার শুভেচ্ছা জানাই।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ব্রিগেডে মুসল্লিদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কড়া নিরাপত্তা এবং বিশেষ প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় ঈদ উদযাপন।
এতদিন বছরে দু’বার রেড রোড চত্বরে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হলেও এবার স্থান পরিবর্তন করে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজন করা হয়। কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিগেড সহ গোটা শহরজুড়েই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। মাঠের চারদিকে মোতায়েন ছিল বিপুল পুলিশ বাহিনী।
মুসল্লিদের সুবিধার জন্য মাঠে বিশেষ মঞ্চ তৈরি করা হয়। পাশাপাশি অস্থায়ী শৌচাগার, পানীয় জল ও শব্দবর্ধক যন্ত্রের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল যাতে সবাই নির্বিঘ্নে নামাজে অংশ নিতে পারেন। সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে সমস্যা না হয়, সে দিকেও নজর দেয় প্রশাসন।
তবে ব্রিগেডে ঈদের নামাজ এই প্রথম নয়। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ১৯৭৮ সালে বামফ্রন্ট সরকারের শুরুর সময়ে ব্রিগেডেই ঈদের নামাজ আয়োজন করা হয়েছিল। পরে দীর্ঘদিন রেড রোডেই এই প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ফের ব্রিগেডে নামাজ আয়োজন করা হয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশে এবং পুলিশ প্রশাসনের কড়া তত্ত্বাবধানে মাঠের নির্দিষ্ট অংশ গার্ডরেল দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়।
এদিকে ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা সুবেন্দু অধিকারী। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ তিনি লেখেন, “যাঁরা ঈদ পালন করছেন তাঁদের প্রত্যেককে আমার শুভেচ্ছা জানাই।
আন্তজার্তিক ডেস্ক