দীর্ঘদিনের দাবির পর নাটোরের লালপুর উপজেলার আজিমনগর রেলওয়ে স্টেশনে প্রথমবারের মতো যাত্রাবিরতি করেছে আন্তঃনগর ট্রেন চিলাহাটি এক্সপ্রেস।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ট্রেনটি স্টেশনে থামলে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একই ট্রেনে যাত্রী হয়ে নিজ এলাকায় পৌঁছান সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।
স্টেশনে ট্রেন পৌঁছানোর পর স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এসময় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে পুরো স্টেশন এলাকা প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে।
স্থানীয়দের দাবি, আজিমনগর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি ছিল এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, আজকের এই মুহূর্ত শুধু আমার জন্য নয়, সমগ্র এলাকার মানুষের জন্য আনন্দ ও গর্বের। দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজিমনগর স্টেশনে চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি শুরু হয়েছে। এটি উন্নয়ন ও সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে।
তিনি আরও বলেন, “সরকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এলাকার উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”
জানা যায়, আজিমনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে স্থানীয়রা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। আন্দোলনের সময় ট্রেন থামানো ও স্টেশন ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা ও কারাবাসের ঘটনাও ঘটে।
অবশেষে প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে সেই দাবি বাস্তবায়িত হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৪ মার্চ প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো এক পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এবং স্থানীয় জনগণের দাবি বিবেচনায় নিয়ে ১৯ মে রেল মন্ত্রণালয় আজিমনগর স্টেশনে চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতির সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ২০ মে পশ্চিমাঞ্চল রেল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ২৬ মে থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকরের ঘোষণা দেয়।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই যাত্রাবিরতি উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ট্রেনটি স্টেশনে থামলে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একই ট্রেনে যাত্রী হয়ে নিজ এলাকায় পৌঁছান সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।
স্টেশনে ট্রেন পৌঁছানোর পর স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এসময় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে পুরো স্টেশন এলাকা প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে।
স্থানীয়দের দাবি, আজিমনগর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি ছিল এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, আজকের এই মুহূর্ত শুধু আমার জন্য নয়, সমগ্র এলাকার মানুষের জন্য আনন্দ ও গর্বের। দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজিমনগর স্টেশনে চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি শুরু হয়েছে। এটি উন্নয়ন ও সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে।
তিনি আরও বলেন, “সরকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এলাকার উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”
জানা যায়, আজিমনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে স্থানীয়রা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। আন্দোলনের সময় ট্রেন থামানো ও স্টেশন ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা ও কারাবাসের ঘটনাও ঘটে।
অবশেষে প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে সেই দাবি বাস্তবায়িত হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৪ মার্চ প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো এক পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এবং স্থানীয় জনগণের দাবি বিবেচনায় নিয়ে ১৯ মে রেল মন্ত্রণালয় আজিমনগর স্টেশনে চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতির সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ২০ মে পশ্চিমাঞ্চল রেল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ২৬ মে থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকরের ঘোষণা দেয়।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই যাত্রাবিরতি উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
নাটোর প্রতিনিধি: