ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আর কোনো ‘নিরাপদ আশ্রয়’ থাকবে না। মঙ্গলবার (২৬ মে) নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মার্চে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। তবে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় খামেনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে এই অঞ্চলে তার অবস্থান হারাচ্ছে এবং প্রতিদিনই তারা আগের অবস্থান থেকে আরও দূরে সরে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ইরানের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
এদিকে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান তাদের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফকে কাতারে পাঠিয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছে দোহা।
মার্চে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। তবে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় খামেনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে এই অঞ্চলে তার অবস্থান হারাচ্ছে এবং প্রতিদিনই তারা আগের অবস্থান থেকে আরও দূরে সরে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ইরানের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
এদিকে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান তাদের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফকে কাতারে পাঠিয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছে দোহা।
আন্তজার্তিক ডেস্ক