ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার সময় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত হয়েছে। এই হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো রাজশাহীর তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) বাতাসপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের (১৭) স্বজনদের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দুর্ঘটনার পর থেকেই জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নির্দেশনা অনুযায়ী সার্বিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এদিকে মঙ্গলবার (২৬মে) সকালে বাতাসপুর গ্রামের পারিশো ফুটবল মাঠে ইসমাইল হোসেনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। ইসমাইল বাতাসপুর গ্রামের আলতাফ হোসেনের পুত্র। জীবিকার তাগিদে তিনি তাঁর দুলাভাইয়ের সঙ্গে নোয়াখালী জেলায় হরেক রকম মালামালের ব্যবসা করতেন। ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাড়ি ফেরার পথে সোমবার ভোরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা রডবোঝাই একটি ট্রাকে করে কয়েকজন শ্রমজীবী ও ফেরিওয়ালা উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ফিরছিলেন। ভোরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের সরাতৈল এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে উল্টে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ১৫ জন নিহত হন এবং আহত হন আরও কয়েকজন।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর থেকেই উপজেলা প্রশাসন নিহতের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখে এবং দাফন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী তানোর উপজেলার মানবিক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক নাঈমা খান পুরো পরিস্থিতি তদারকি করেন।
ওদিকে মঙ্গলবার দুপুরে মানবিক ইউএনও নাঈমা খান নিহত ইসমাইলের বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় তিনি সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া আর্থিক অনুদান তুলে দেন এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) পক্ষ থেকে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।
এদিকেরইসমাইলের অকাল মৃত্যুতে বাতাসপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
স্থানীয়রা জানান, অল্প বয়সেই পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন ইসমাইল। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার (২৬মে) সকালে বাতাসপুর গ্রামের পারিশো ফুটবল মাঠে ইসমাইল হোসেনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। ইসমাইল বাতাসপুর গ্রামের আলতাফ হোসেনের পুত্র। জীবিকার তাগিদে তিনি তাঁর দুলাভাইয়ের সঙ্গে নোয়াখালী জেলায় হরেক রকম মালামালের ব্যবসা করতেন। ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাড়ি ফেরার পথে সোমবার ভোরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা রডবোঝাই একটি ট্রাকে করে কয়েকজন শ্রমজীবী ও ফেরিওয়ালা উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ফিরছিলেন। ভোরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের সরাতৈল এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে উল্টে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ১৫ জন নিহত হন এবং আহত হন আরও কয়েকজন।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর থেকেই উপজেলা প্রশাসন নিহতের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখে এবং দাফন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী তানোর উপজেলার মানবিক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক নাঈমা খান পুরো পরিস্থিতি তদারকি করেন।
ওদিকে মঙ্গলবার দুপুরে মানবিক ইউএনও নাঈমা খান নিহত ইসমাইলের বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় তিনি সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া আর্থিক অনুদান তুলে দেন এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) পক্ষ থেকে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।
এদিকেরইসমাইলের অকাল মৃত্যুতে বাতাসপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
স্থানীয়রা জানান, অল্প বয়সেই পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন ইসমাইল। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।