ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক।
সোমবার (২৬ মে) উপজেলার লোলতই খাল পুনঃখননসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান খাল পুনঃখনন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন তিনি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক বলেন, “বর্ষা মৌসুমে খালের পানি সংরক্ষণ করতে পারলে কৃষি, মৎস্যচাষ ও স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন পানির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। খালগুলো সচল থাকলে পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা পাবে।
তিনি খালের দুই পাড়ে ব্যাপকভাবে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষাই করবে না, খালের পাড় ভাঙন প্রতিরোধেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। পরে জেলা প্রশাসক উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী রামরাই দিঘি পরিদর্শন করেন। তিনি দিঘিটিকে একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্টদের পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। স্থানীয়দের মতে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা রামরাই দিঘি সঠিক পরিচর্যা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পেলে এটি জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থানে পরিণত হতে পারে। পরিদর্শন শেষে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন জেলা প্রশাসক। এ সময় শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার কারণ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতামত শুনে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী রাখতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
এছাড়াও সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে শিশুকাল থেকেই সচেতনতা তৈরির ওপর জোর দেন তিনি। সভায় মাদকাসক্তি, কিশোর অপরাধ ও আত্মহত্যার ভয়াবহতা সম্পর্কে উপস্থিত জনসাধারণকে সতর্ক করা হয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাতিজা বেগম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) স্যামুয়েল মার্ডি, নন্দুয়ার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল বারী,ধর্মগড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জমিরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মনতাজ মাস্টার প্রমুখ। এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেন, খাল পুনঃখনন ও পর্যটন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে কৃষি, পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
সোমবার (২৬ মে) উপজেলার লোলতই খাল পুনঃখননসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান খাল পুনঃখনন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন তিনি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক বলেন, “বর্ষা মৌসুমে খালের পানি সংরক্ষণ করতে পারলে কৃষি, মৎস্যচাষ ও স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন পানির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। খালগুলো সচল থাকলে পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা পাবে।
তিনি খালের দুই পাড়ে ব্যাপকভাবে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষাই করবে না, খালের পাড় ভাঙন প্রতিরোধেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। পরে জেলা প্রশাসক উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী রামরাই দিঘি পরিদর্শন করেন। তিনি দিঘিটিকে একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্টদের পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। স্থানীয়দের মতে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা রামরাই দিঘি সঠিক পরিচর্যা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পেলে এটি জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থানে পরিণত হতে পারে। পরিদর্শন শেষে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন জেলা প্রশাসক। এ সময় শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার কারণ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতামত শুনে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী রাখতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
এছাড়াও সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে শিশুকাল থেকেই সচেতনতা তৈরির ওপর জোর দেন তিনি। সভায় মাদকাসক্তি, কিশোর অপরাধ ও আত্মহত্যার ভয়াবহতা সম্পর্কে উপস্থিত জনসাধারণকে সতর্ক করা হয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাতিজা বেগম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) স্যামুয়েল মার্ডি, নন্দুয়ার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল বারী,ধর্মগড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জমিরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মনতাজ মাস্টার প্রমুখ। এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেন, খাল পুনঃখনন ও পর্যটন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে কৃষি, পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি