অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও ক্রমাগত মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ এনে এভাবেই কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের ক্ষোভ ও বিচারহীনতার কথা তুলে ধরেছেন কুমিল্লার এক সরকারি নারী কর্মচারী।
দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব ও ব্ল্যাকমেইল
অভিযোগকারী নারী কর্মচারীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার অফিসের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাকে বিভিন্নভাবে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। অফিসের ওপরের তলায় নিয়মিত বিভিন্ন অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলত এবং তাকেও সেখানে গিয়ে কর্মকর্তাদের ‘খুশি’ করতে বলা হতো। কিন্তু তিনি এই জঘন্য প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তার ওপর কর্মকর্তাদের চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ফাইল সইয়ের নামে কক্ষে ডেকে শ্লীলতাহানি
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২১ তারিখ সকালে একটি প্রশাসনিক ফাইল বা বিষয় নিয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কক্ষে যান। সেখানে আগে থেকেই কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে তাকে কাজের অজুহাতে বিভিন্ন আপত্তিকর প্রশ্ন করা হয় এবং তার সাথে চরম অশোভন আচরণ করা হয়। তিনি দাবি করেন, একজন কর্মকর্তা তাকে “সুন্দরী” বলে উত্ত্যক্ত করেন এবং আরেকজন লম্পট কর্মকর্তা তাকে জোরপূর্বক ধরে টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এই আকস্মিক পাশবিক আচরণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং তীব্র অসুস্থ হয়ে যান।
তিনি আরও জানান, এর আগেও তাকে বারবার কক্ষে ডেকে বদলির ভয় দেখানো হতো এবং কুপ্রস্তাব দেওয়া হতো। এমনকি তার কাঙ্ক্ষিত বদলি ঠেকিয়ে দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করারও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
মুখ খোলায় মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শাস্তিমূলক বদলি!
সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ও রহস্যজনক বিষয় হলো, ঘটনার দিন প্রতিবাদ ও অভিযোগ করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই নারী কর্মচারীকে কুমিল্লা থেকে এক আদেশে অন্যত্র বদলি করে দেওয়া হয়! এই তড়িঘড়ি বদলির আদেশ প্রমাণ করে যে অপরাধচক্রটি কতটা প্রভাবশালী এবং তারা নিজেদের অপরাধ ঢাকতে কীভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। এই আদেশের পর ভুক্তভোগী নারী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অভিযুক্তদের সাফাই
তবে বরাবরের মতোই অভিযুক্ত কর্মকর্তা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, অভিযোগগুলো নাকি ভিত্তিহীন এবং ঘটনার সময় কক্ষে একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তিনি একটি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
আমাদের সমাজের প্রতি কিছু তীক্ষ্ণ প্রশ্ন:
কর্মক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা কোথায়? একজন নারী যদি সরকারি অফিসে নিজের সততা রক্ষা করতে গিয়ে এভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কামনার শিকার হন, তবে নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করার পরিবেশ থাকবে কীভাবে?
অভিযোগের পরপরই বদলি কেন? অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়ার আগেই কেন তড়িঘড়ি করে ভুক্তভোগীকেই শাস্তিমূলক বদলি করা হলো? এর পেছনে কোন অদৃশ্য হাত কাজ করছে?
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আমরা এই জঘন্য ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে এই ঘটনার ভেতরের সত্য উদ্ঘাটন করে দোষী কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে চাকরিচ্যুত এবং আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
কর্মক্ষেত্রে মা-বোনদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং এই জঘন্য ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন। কমেন্টে আপনার মূল্যবান প্রতিবাদ জানান।
দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব ও ব্ল্যাকমেইল
অভিযোগকারী নারী কর্মচারীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার অফিসের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাকে বিভিন্নভাবে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। অফিসের ওপরের তলায় নিয়মিত বিভিন্ন অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলত এবং তাকেও সেখানে গিয়ে কর্মকর্তাদের ‘খুশি’ করতে বলা হতো। কিন্তু তিনি এই জঘন্য প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তার ওপর কর্মকর্তাদের চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ফাইল সইয়ের নামে কক্ষে ডেকে শ্লীলতাহানি
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২১ তারিখ সকালে একটি প্রশাসনিক ফাইল বা বিষয় নিয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কক্ষে যান। সেখানে আগে থেকেই কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে তাকে কাজের অজুহাতে বিভিন্ন আপত্তিকর প্রশ্ন করা হয় এবং তার সাথে চরম অশোভন আচরণ করা হয়। তিনি দাবি করেন, একজন কর্মকর্তা তাকে “সুন্দরী” বলে উত্ত্যক্ত করেন এবং আরেকজন লম্পট কর্মকর্তা তাকে জোরপূর্বক ধরে টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এই আকস্মিক পাশবিক আচরণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং তীব্র অসুস্থ হয়ে যান।
তিনি আরও জানান, এর আগেও তাকে বারবার কক্ষে ডেকে বদলির ভয় দেখানো হতো এবং কুপ্রস্তাব দেওয়া হতো। এমনকি তার কাঙ্ক্ষিত বদলি ঠেকিয়ে দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করারও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
মুখ খোলায় মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শাস্তিমূলক বদলি!
সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ও রহস্যজনক বিষয় হলো, ঘটনার দিন প্রতিবাদ ও অভিযোগ করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই নারী কর্মচারীকে কুমিল্লা থেকে এক আদেশে অন্যত্র বদলি করে দেওয়া হয়! এই তড়িঘড়ি বদলির আদেশ প্রমাণ করে যে অপরাধচক্রটি কতটা প্রভাবশালী এবং তারা নিজেদের অপরাধ ঢাকতে কীভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। এই আদেশের পর ভুক্তভোগী নারী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অভিযুক্তদের সাফাই
তবে বরাবরের মতোই অভিযুক্ত কর্মকর্তা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, অভিযোগগুলো নাকি ভিত্তিহীন এবং ঘটনার সময় কক্ষে একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তিনি একটি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
আমাদের সমাজের প্রতি কিছু তীক্ষ্ণ প্রশ্ন:
কর্মক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা কোথায়? একজন নারী যদি সরকারি অফিসে নিজের সততা রক্ষা করতে গিয়ে এভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কামনার শিকার হন, তবে নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করার পরিবেশ থাকবে কীভাবে?
অভিযোগের পরপরই বদলি কেন? অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়ার আগেই কেন তড়িঘড়ি করে ভুক্তভোগীকেই শাস্তিমূলক বদলি করা হলো? এর পেছনে কোন অদৃশ্য হাত কাজ করছে?
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আমরা এই জঘন্য ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে এই ঘটনার ভেতরের সত্য উদ্ঘাটন করে দোষী কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে চাকরিচ্যুত এবং আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
কর্মক্ষেত্রে মা-বোনদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং এই জঘন্য ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন। কমেন্টে আপনার মূল্যবান প্রতিবাদ জানান।
অনলাইন ডেস্ক