হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ৯ বছরের এক শিশুকে বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে ভুক্তভোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠান।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, রবিবার বিকেলে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নে বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাচ্ছিল শিশুটি। পথিমধ্যে আফরোজ মিয়া (৩৫) ও তার এক সহযোগী মিলে শিশুটিকে জোর করে পাশের বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। স্থানীয় লোকজন শিশুটির চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অবস্থায় শিশুকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভুক্তভোগী শিশুর স্বজনরা জানান, লোকলজ্জার ভয়ে তারা শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাননি। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তারা।
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, “ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে আলাপ করেছি আমরা। পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তদন্ত করে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে ভুক্তভোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠান।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, রবিবার বিকেলে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নে বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাচ্ছিল শিশুটি। পথিমধ্যে আফরোজ মিয়া (৩৫) ও তার এক সহযোগী মিলে শিশুটিকে জোর করে পাশের বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। স্থানীয় লোকজন শিশুটির চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অবস্থায় শিশুকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভুক্তভোগী শিশুর স্বজনরা জানান, লোকলজ্জার ভয়ে তারা শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাননি। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তারা।
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, “ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে আলাপ করেছি আমরা। পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তদন্ত করে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক