ভারতের সাথে চলমান সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যে এবার শক্তিশালী পদক্ষেপ নিয়েছে বিজিবি। এখন সীমান্তে শুধু ছোট ড্রোন নয়, বরং বড় আকারের ফিক্সড-উইং ড্রোন কেনার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাহিনীটি।
বিজিবি বেশ কয়েক বছর ধরে মূলত ছোট আকারের কোয়াডকপ্টার বা মাল্টি-রোটর ড্রোন ব্যবহার করে আসছে। এগুলো টেক-অফ ও ল্যান্ডিংয়ে সহজ হলেও ব্যাটারি লাইফ কম (সাধারণত ২০ থেকে ৪০ মিনিট) এবং রেঞ্জও সীমিত।
কিন্তু ভারতের সঙ্গে ৪,১৫৬ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ ও দুর্গম সীমান্ত পাহারা দিতে দীর্ঘক্ষণ উড়তে সক্ষম ড্রোনের বিকল্প নেই। নতুন যুক্ত হতে যাওয়া ফিক্সড-উইং ড্রোনগুলো বিজিবিকে একটানা কয়েক ঘণ্টা বিশাল সীমান্ত এলাকায় নজরদারি করার সক্ষমতা দেবে।
পিলখানায় অবস্থিত বিজিবি সদর দপ্তরের কমিউনিকেশন ব্রাঞ্চের মাধ্যমে এই Open Tendering Method (OTM) প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি ক্রয় পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, ড্রোন সংগ্রহ ও স্থাপনের জন্য কয়েক কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি সীমান্ত এবং সুন্দরবনের মতো নদীমাতৃক ও ঘন বনাঞ্চলে, যেখানে সাধারণ টহল দেওয়া কঠিন, সেখানে এই ফিক্সড-উইং ড্রোনগুলো কার্যকরভাবে কাজ করবে।
এছাড়াও চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ড্রোনগুলোর হাই-রেজোলিউশন থার্মাল ও নাইট-ভিশন ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এসব ড্রোন রিয়েল-টাইম ভিডিও সরাসরি বিজিবির কন্ট্রোল রুমে পাঠাতে সক্ষম হবে।
বিজিবি বেশ কয়েক বছর ধরে মূলত ছোট আকারের কোয়াডকপ্টার বা মাল্টি-রোটর ড্রোন ব্যবহার করে আসছে। এগুলো টেক-অফ ও ল্যান্ডিংয়ে সহজ হলেও ব্যাটারি লাইফ কম (সাধারণত ২০ থেকে ৪০ মিনিট) এবং রেঞ্জও সীমিত।
কিন্তু ভারতের সঙ্গে ৪,১৫৬ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ ও দুর্গম সীমান্ত পাহারা দিতে দীর্ঘক্ষণ উড়তে সক্ষম ড্রোনের বিকল্প নেই। নতুন যুক্ত হতে যাওয়া ফিক্সড-উইং ড্রোনগুলো বিজিবিকে একটানা কয়েক ঘণ্টা বিশাল সীমান্ত এলাকায় নজরদারি করার সক্ষমতা দেবে।
পিলখানায় অবস্থিত বিজিবি সদর দপ্তরের কমিউনিকেশন ব্রাঞ্চের মাধ্যমে এই Open Tendering Method (OTM) প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি ক্রয় পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, ড্রোন সংগ্রহ ও স্থাপনের জন্য কয়েক কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি সীমান্ত এবং সুন্দরবনের মতো নদীমাতৃক ও ঘন বনাঞ্চলে, যেখানে সাধারণ টহল দেওয়া কঠিন, সেখানে এই ফিক্সড-উইং ড্রোনগুলো কার্যকরভাবে কাজ করবে।
এছাড়াও চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ড্রোনগুলোর হাই-রেজোলিউশন থার্মাল ও নাইট-ভিশন ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এসব ড্রোন রিয়েল-টাইম ভিডিও সরাসরি বিজিবির কন্ট্রোল রুমে পাঠাতে সক্ষম হবে।
প্রতিনিধি :