ট্রাকের পেছনে আঁকা এক নারীর ছবি বারবার চাটতে দেখা গেছে এক বৃদ্ধকে। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনের অংশে থাকা নারীর ছবিতে বৃদ্ধ ব্যক্তি অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। আশপাশের লোকজন বিষয়টি দেখলেও কেউ তাকে বাধা দেননি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন যশিন্দর কৌর নামের এক ব্যবহারকারী। পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক লাখ মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন। ভিডিওতে ট্রাকের পেছনে থাকা নারীর ছবি আঁকা নাকি পোস্টার, তা স্পষ্ট বোঝা যায়নি।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, আশপাশে কিছু কিশোর ও স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে ঘটনাটি দেখছিল। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বহু নেটিজেন। অনেকেই ঘটনাটিকে অস্বস্তিকর, অশোভন ও মানসিক বিকারগ্রস্ততার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন।
ভিডিও পোস্টের ক্যাপশনে দাবি করা হয়, ঘটনাটি ভারতের বিহারের একটি এলাকার। সেখানে বলা হয়, নারীরা তো বটেই, এখন নারীদের পোস্টারও নিরাপদ নয়। তবে ভিডিওটির স্থান, সময় বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কমেন্টে এক ব্যবহারকারী লেখেন, কোনও সুস্থ মানুষ এ ধরনের আচরণ করতে পারে না। আরেকজনের মন্তব্য, এ ধরনের ঘটনা বরদাস্ত না করে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা উচিত। কেউ কেউ সমাজে পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতা ও সামাজিক অবক্ষয়কে দায়ী করেছেন।
তবে ভিডিওটির সত্যতা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা পুলিশের পক্ষ থেকেও এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন যশিন্দর কৌর নামের এক ব্যবহারকারী। পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক লাখ মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন। ভিডিওতে ট্রাকের পেছনে থাকা নারীর ছবি আঁকা নাকি পোস্টার, তা স্পষ্ট বোঝা যায়নি।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, আশপাশে কিছু কিশোর ও স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে ঘটনাটি দেখছিল। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বহু নেটিজেন। অনেকেই ঘটনাটিকে অস্বস্তিকর, অশোভন ও মানসিক বিকারগ্রস্ততার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন।
ভিডিও পোস্টের ক্যাপশনে দাবি করা হয়, ঘটনাটি ভারতের বিহারের একটি এলাকার। সেখানে বলা হয়, নারীরা তো বটেই, এখন নারীদের পোস্টারও নিরাপদ নয়। তবে ভিডিওটির স্থান, সময় বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কমেন্টে এক ব্যবহারকারী লেখেন, কোনও সুস্থ মানুষ এ ধরনের আচরণ করতে পারে না। আরেকজনের মন্তব্য, এ ধরনের ঘটনা বরদাস্ত না করে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা উচিত। কেউ কেউ সমাজে পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতা ও সামাজিক অবক্ষয়কে দায়ী করেছেন।
তবে ভিডিওটির সত্যতা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা পুলিশের পক্ষ থেকেও এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
অনলাইন ডেস্ক