রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) আগামি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতার ইচ্ছে প্রকাশ করে দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং ইউপি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান মতি। ইতমধ্যে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতার ইচ্ছে প্রকাশ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
এদিকে সচেতন মহলের ভাষ্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিত্তশালী মতিউর রহমান মতি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে।কারণ ইউপি চেয়ারম্যান পদ থেকে তার নেয়ার কিছু নাই,তবে দেবার অনেক আছে।উন্নয়ন বরাদ্দের পুরো টাকায় সে উন্নয়ন কাজে ব্যয় করতে পারবেন।
জানা গেছে, বিএনপি নেতা মতিউর রহমান মতি একজন আদর্শিক ও পরিক্ষিত নেতৃত্ব। যিনি কখানো কোনো লোভ-লালসার স্রোতে গাঁ ভাসিয়ে দেননি। সব সময় শত প্রতিকুলতার মাঝে বিএনপির মুল ধারার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করে আসছেন। সাংগঠনিকভাবে পিছিয়ে থাকা কামারগাঁ ইউপি বিএনপিকে শত প্রতিকূলতার মধ্যে যিনি সংগঠিত করে আধুনিকতার ছোঁয়ায় দলকে প্রতিটি ওয়ার্ড ও প্রতিটি গ্রামের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফাকে পৌছে দিয়েছিলেন সেই অকুতোভয় সৈনিক মতিউর রহমান মতি।
স্থানীয় বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল মতিকে সবুজ সঙ্কেত দিয়ে মাঠে নামার নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও শোনা যাচ্ছে। এদিকে তার প্রার্থী হবার খবরে একটি বিশেষ মহলের চোখেমূখে হতাশার ছাপ ফুটে উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে. মতিউর রহমান মতি ছাত্র জীবনেই শহিদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আর্দশে অনুপ্রাণিত হয়ে৷ বিএনপির রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং ছাত্রদল-যুবদল হয়ে এখন তিনি ইউপি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।
জানা গেছে, এলাকার উন্নয়ন, সমাজ সেবা, ক্রীড়া ও সামাজিক- সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে চলেছেন। ফলে ইউপি জুড়ে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার একটা পরিচ্ছন্ন ও নিজ্বস্ব ব্যক্তি ইমেজ তৈরী হয়েছে।
এদিকে ভোটারদের সিংহভাগ তরুণ। আগামিতে তরুণ প্রজন্ম তাদের প্রতিনিধি হিসেবে জন ও কর্মীবান্ধব তরুণ নেতৃত্ব মতিকে বেছে নিয়েছেন।আগামিতে তারা যেকোনো মুল্য মতিকে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনে বদ্ধপরিকর।এছাড়াও ইউপির মধ্যাঞ্চল থেকে তিনিই একমাত্র প্রার্থী হতে চলেছেন, অন্যান্য সবকিছু তার অনুকুলে রয়েছে। আগামি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তার বিজয়ের সম্ভবনা অত্যন্ত উজ্জল বলে মনে করছেন আমজনতা।
ইতমধ্যে তিনি জনসাধারণের কাছে অঙ্গীকার প্রকাশ করে বলেন, আগামি ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী হলে সকলের সহযোগিতায় তিনি তার সকল যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে ইউপির অবহেলিত জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। এই জন্য সকলের কাছে তিনি দোয়া, সমর্থন ও সহযোগীতা প্রত্যাশা করেছেন।
এদিকে তৃণমুলের নেতা ও কর্মী-সমর্থক বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের আকুন্ঠ সমর্থন তাকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা ও বিজয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী করে তুলেছে। এবিষয়ে ইউপি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা করবেন।
তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি ইউপিবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষা বিস্তার, মাদক প্রতিরোধ, শতভাগ স্যানিটেন, বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা ও সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণের মাধ্যমে ইউপিকে স্মার্ট ইউপি হিসেবে গড়ে তুলবেন।
এদিকে সচেতন মহলের ভাষ্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিত্তশালী মতিউর রহমান মতি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে।কারণ ইউপি চেয়ারম্যান পদ থেকে তার নেয়ার কিছু নাই,তবে দেবার অনেক আছে।উন্নয়ন বরাদ্দের পুরো টাকায় সে উন্নয়ন কাজে ব্যয় করতে পারবেন।
জানা গেছে, বিএনপি নেতা মতিউর রহমান মতি একজন আদর্শিক ও পরিক্ষিত নেতৃত্ব। যিনি কখানো কোনো লোভ-লালসার স্রোতে গাঁ ভাসিয়ে দেননি। সব সময় শত প্রতিকুলতার মাঝে বিএনপির মুল ধারার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করে আসছেন। সাংগঠনিকভাবে পিছিয়ে থাকা কামারগাঁ ইউপি বিএনপিকে শত প্রতিকূলতার মধ্যে যিনি সংগঠিত করে আধুনিকতার ছোঁয়ায় দলকে প্রতিটি ওয়ার্ড ও প্রতিটি গ্রামের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফাকে পৌছে দিয়েছিলেন সেই অকুতোভয় সৈনিক মতিউর রহমান মতি।
স্থানীয় বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল মতিকে সবুজ সঙ্কেত দিয়ে মাঠে নামার নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও শোনা যাচ্ছে। এদিকে তার প্রার্থী হবার খবরে একটি বিশেষ মহলের চোখেমূখে হতাশার ছাপ ফুটে উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে. মতিউর রহমান মতি ছাত্র জীবনেই শহিদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আর্দশে অনুপ্রাণিত হয়ে৷ বিএনপির রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং ছাত্রদল-যুবদল হয়ে এখন তিনি ইউপি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।
জানা গেছে, এলাকার উন্নয়ন, সমাজ সেবা, ক্রীড়া ও সামাজিক- সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে চলেছেন। ফলে ইউপি জুড়ে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার একটা পরিচ্ছন্ন ও নিজ্বস্ব ব্যক্তি ইমেজ তৈরী হয়েছে।
এদিকে ভোটারদের সিংহভাগ তরুণ। আগামিতে তরুণ প্রজন্ম তাদের প্রতিনিধি হিসেবে জন ও কর্মীবান্ধব তরুণ নেতৃত্ব মতিকে বেছে নিয়েছেন।আগামিতে তারা যেকোনো মুল্য মতিকে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনে বদ্ধপরিকর।এছাড়াও ইউপির মধ্যাঞ্চল থেকে তিনিই একমাত্র প্রার্থী হতে চলেছেন, অন্যান্য সবকিছু তার অনুকুলে রয়েছে। আগামি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তার বিজয়ের সম্ভবনা অত্যন্ত উজ্জল বলে মনে করছেন আমজনতা।
ইতমধ্যে তিনি জনসাধারণের কাছে অঙ্গীকার প্রকাশ করে বলেন, আগামি ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী হলে সকলের সহযোগিতায় তিনি তার সকল যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে ইউপির অবহেলিত জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। এই জন্য সকলের কাছে তিনি দোয়া, সমর্থন ও সহযোগীতা প্রত্যাশা করেছেন।
এদিকে তৃণমুলের নেতা ও কর্মী-সমর্থক বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের আকুন্ঠ সমর্থন তাকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা ও বিজয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী করে তুলেছে। এবিষয়ে ইউপি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা করবেন।
তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি ইউপিবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষা বিস্তার, মাদক প্রতিরোধ, শতভাগ স্যানিটেন, বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা ও সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণের মাধ্যমে ইউপিকে স্মার্ট ইউপি হিসেবে গড়ে তুলবেন।
আলিফ হোসেন