মধ্যপ্রদেশের দতিয়া জেলায় এক ২৫ বছর বয়সী পিএইচডি গবেষক ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
মৃত্যুর আগে ওই তরুণী এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত ২৫ বছর বয়সী যোগেশ রাওয়াতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহত তরুণী গোয়ালিয়রে পিএইচডি গবেষণা করতেন। তদন্তকারীরা জানান, ওই তরুণীর এক বান্ধবীর ভাই, যোগেশ রাওয়াতের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। ১৩ মার্চ, যোগেশ তরুণীকে গোয়ালিয়রের একটি হোটেলে ডেকে পানীয়ের সঙ্গে মাদক খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করেন। অভিযুক্ত ওই ধর্ষণের সময় তরুণীর আপত্তিকর ভিডিওও রেকর্ড করেন।
এরপর থেকেই তরুণীকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হয়। ১৫ মার্চ, তাঁকে আবার হোটেলে ডেকে ধর্ষণ করা হয়। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার পর, ওই দিনই গোয়ালিয়রের পাড়ভ থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরে তিনি দতিয়ায় নিজ বাড়িতে ফিরে যান, তবে মানসিক যন্ত্রণার কারণে তিনি আত্মহত্যা করেন।
মৃত্যুর আগে, তরুণী একটি সুইসাইড নোট লিখে গেছেন, যেখানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় যোগেশ রাওয়াত ও তাঁর দুই বোনের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন। অভিযোগের পর পুলিশ তৎপরভাবে তদন্ত শুরু করে এবং অশোক নগর এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। গোয়ালিয়রের পুলিশ কর্মকর্তা সন্তোষ ভাদোরিয়া জানিয়েছেন, তরুণী তাঁদের একটি বান্ধবীর সঙ্গে ফুলবাগে গিয়েছিলেন, যেখানে এই ঘটনাটি ঘটেছিল। পুলিশ এখন পুরো ঘটনার পেছনের রহস্য ও অভিযুক্তের বোনদের ভূমিকা বিশদভাবে তদন্ত করছে।
মৃত্যুর আগে ওই তরুণী এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত ২৫ বছর বয়সী যোগেশ রাওয়াতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহত তরুণী গোয়ালিয়রে পিএইচডি গবেষণা করতেন। তদন্তকারীরা জানান, ওই তরুণীর এক বান্ধবীর ভাই, যোগেশ রাওয়াতের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। ১৩ মার্চ, যোগেশ তরুণীকে গোয়ালিয়রের একটি হোটেলে ডেকে পানীয়ের সঙ্গে মাদক খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করেন। অভিযুক্ত ওই ধর্ষণের সময় তরুণীর আপত্তিকর ভিডিওও রেকর্ড করেন।
এরপর থেকেই তরুণীকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হয়। ১৫ মার্চ, তাঁকে আবার হোটেলে ডেকে ধর্ষণ করা হয়। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার পর, ওই দিনই গোয়ালিয়রের পাড়ভ থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরে তিনি দতিয়ায় নিজ বাড়িতে ফিরে যান, তবে মানসিক যন্ত্রণার কারণে তিনি আত্মহত্যা করেন।
মৃত্যুর আগে, তরুণী একটি সুইসাইড নোট লিখে গেছেন, যেখানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় যোগেশ রাওয়াত ও তাঁর দুই বোনের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন। অভিযোগের পর পুলিশ তৎপরভাবে তদন্ত শুরু করে এবং অশোক নগর এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। গোয়ালিয়রের পুলিশ কর্মকর্তা সন্তোষ ভাদোরিয়া জানিয়েছেন, তরুণী তাঁদের একটি বান্ধবীর সঙ্গে ফুলবাগে গিয়েছিলেন, যেখানে এই ঘটনাটি ঘটেছিল। পুলিশ এখন পুরো ঘটনার পেছনের রহস্য ও অভিযুক্তের বোনদের ভূমিকা বিশদভাবে তদন্ত করছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক