ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬ , ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পানি নিষ্কাশনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করে রাস্তা নির্মাণ পুঠিয়ায় মহাসড়কে গতিরোধ করে ১৯ মহিষসহ ট্রাক লুট রুয়েট উপাচার্যের অভিনন্দন বার্তা রাজধানীর বুকে ‘শিশুবাজার’, আট লক্ষ টাকায় শিশুপুত্র, অর্ধেক দামে কন্যা! ইতিহাসের এই দিনের স্মরণীয় অধ্যায় মা-দিদিমার পুরনো শাড়ি ছিঁড়ে গিয়েছে?৫ পন্থায় রঙিন করে তুলুন বাড়ির প্রতিটি কোণ বর্ষার সময়ে ভাল ফলন হয় হরেক সব্জির, বাগানে বা জানালায় সহজে ফলাতে পারেন ওজন কমুক স্বাস্থ্য বজায় রেখে আকাঙ্ক্ষা চামোলার ব্যক্তিগত গোপন তথ্য ফাঁস প্রেসিডেন্ট ট্রোলকে এবার হাসির অস্ত্রে পরিণত করলেন আলিয়া ভাট ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সেবার নামে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ নতুন পোশাকে পুলিশ ১১ বছর পর মিলল বিচার: রাণীশংকৈলে বাক্‌প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন বগুড়ায় ছাত্রীকে একান্তে দেখা করতে বলেন মাদরাসা শিক্ষক কেন্দুয়ায় স্কুলছাত্রীকে পাটক্ষেতে নিয়ে যান মতি মিয়া, অতঃপর... রাজশাহীর খাদ্য প্রশাসনে দুই বছরের প্রতীক্ষার অবসান বাগেরহাট স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে হাসপাতালে ১১ শিক্ষার্থী সন্তানদের জিম্মি করে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ কৃষক লীগ নেতার কুমিল্লায় প্রধান শিক্ষক রাতে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে গিয়ে ধরা মাদকাসক্ত নাতির হামলায় দাদির মৃত্যু, আশঙ্কাজনক অবস্থায় দাদা

মাদরাসায় ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করলো শুভেন্দু

  • আপলোড সময় : ২২-০৫-২০২৬ ০৮:৩৭:৪০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-০৫-২০২৬ ০৮:৩৭:৪০ অপরাহ্ন
মাদরাসায় ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করলো শুভেন্দু মাদরাসায় ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করলো শুভেন্দু
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পর এবার রাজ্যের সমস্ত মাদরাসাগুলোতেও বাধ্যতামূলকভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি গাওয়ার নিয়ম চালু করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন বিজেপি সরকার এক প্রশাসনিক আদেশে জানিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত স্বীকৃত মাদরাসায় প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে এই গানটি গাইতে হবে।

এর আগে গত সপ্তাহে একই ধরনের একটি নির্দেশনা জারি করে রাজ্যের সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গানটি গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বৃহস্পতিবার (২১ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রাজ্য সরকারের সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদরাসা শিক্ষা দপ্তরের আওতাধীন মাদরাসা অধিদপ্তর থেকে জারি করা সর্বশেষ আদেশে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত স্বীকৃত, সরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত এবং বেসরকারি মাদরাসার ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়ম অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রতিদিন সকালের প্রাক-ক্লাস সমাবেশ বা দৈনিক প্রার্থনার সময় শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে এই গানটি গাইতে হবে। এর মাত্র এক সপ্তাহ আগেই স্কুল শিক্ষা দপ্তরের আওতাধীন সব স্কুলের জন্য একই নিয়ম জারি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর একটি অনলাইন পোস্টে পূর্ববর্তী সমস্ত রাজ্য নির্দেশনা বাতিল করার ঘোষণা দিয়ে জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাৎক্ষণিকভাবে স্কুল ও মাদরাসা শিক্ষা দপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরুর আগে সকালের সমাবেশে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে ভারতের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা আন্দোলনে ‘বন্দে মাতরম’ ছিল স্বাধীনতাকামীদের অন্যতম প্রধান স্লোগান ও অনুপ্রেরণা, যা চলতি বছরের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও তীব্র রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে।

মূলত চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ‘বন্দে মাতরম’ গানটিকে দেশটির মূল জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’-এর সমমর্যাদা প্রদান করে। কেন্দ্রীয় সরকারের সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় এবার রাজ্য স্তরেও বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাত্যহিক কর্মসূচিতে জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি ‘বন্দে মাতরম’-এর পূর্ণাঙ্গ ছয়টি স্তবক গাওয়া বাধ্যতামূলক করার এই প্রক্রিয়া শুরু হলো।

সম্প্রতি ভারতের অন্যান্য রাজ্য যেমন তামিলনাড়ু ও কেরালাতেও বিভিন্ন সরকারি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে এই ‘বন্দে মাতরম’ গানটি নিয়ে ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক ও সমালোচনা তৈরি হতে দেখা গেছে। চেন্নাইয়ের একটি সরকারি অনুষ্ঠানে মূল জাতীয় সংগীতের আগে পূর্ণাঙ্গ ‘বন্দে মাতরম’ বাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ডিএমকে দলীয় মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়কে তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল।

অন্য দিকে কেরালা রাজ্যে ভি ডি সাথিসান সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে পুরো ‘বন্দে মাতরম’ গানটি গাওয়ার কারণে বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো এর তীব্র সমালোচনা করে। তবে এই সমালোচনা ও বিতর্কের জবাবে কেরালা রাজ্য সরকার বা ইউডিএফ জোট নিজেদের দূরত্ব বজায় রেখে জানায়, উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক সূচি নির্ধারণ করেছিল মূলত স্থানীয় রাজভবন বা রাজ্যপালের কার্যালয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কমিউনিস্টরা ‘ভারতীয় সংস্কৃতিকে মনে-প্রাণে ঘৃণা করে’ বলে পাল্টা রাজনৈতিক অভিযোগ তোলে বিজেপি নেতৃত্ব।

সূত্র: এনডিটিভি

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
রুয়েটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক

রুয়েটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক