রাজশাহী মহানগরীতে আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত তাদের সহিংস কর্মকান্ডে আতঙ্কে রয়েছেন। প্রকাশ্যে মারধর, ছিনতাই, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় নগরজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা এসব কিশোর গ্যাং সংঘবদ্ধভাবে অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়লেও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ দেখা যাচ্ছে না। ফলে প্রায় প্রতিদিনই মহানগরীর কোথাও না কোথাও সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।
সর্বশেষ গত ১৯ মে বিকেল ৩টার দিকে নগরীর রাজশাহী কোর্ট একাডেমি স্কুল ছুটির সময় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৫ থেকে ৬ জনের একটি কিশোর গ্যাং দলবদ্ধভাবে ওই শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালায়।
তাদের ভাষ্য, স্কুলের সামনে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত থাকলেও হামলাকারীদের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি। প্রকাশ্যেই ওই শিক্ষার্থীর ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ। তিনি নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীকে রক্ষার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তাঁর ওপরও চড়াও হয়। এতে তিনিও মারধরের শিকার হন।
স্থানীয়দের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি করে এসব কিশোর গ্যাং এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করছে। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া ও প্রভাবশালী বড় ভাইদের প্রশ্রয়ে অনেক কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন এলাকা, সিএন্ডবি সড়ক, পদ্মাপাড়, চিড়িয়াখানা এলাকা, ভদ্রা পার্ক ও লেক, বিমান চত্বর সড়ক এবং ফ্লাইওভার এলাকায় তাদের তৎপরতা বেশি দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর আগেও রাজশাহীতে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে হামলা, ছিনতাই, মাদক সেবন ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায় শতাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যের নাম এলেও বাস্তবে তাদের দৌরাত্ম্য কমেনি বলে অভিযোগ নগরবাসীর।
নগরবাসীর দাবি, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় বলেও মনে করছেন সচেতন মহল।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে আরএমপি পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান বলেন, চুরি ছিনতাই, মাদক, কিশোর গ্যাং অপরাধ দমনে পুলিশের সকল ইউনিট এক যোগে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, নগরবাসী বাসি যদি তাদের দেশীয় অস্ত্র হাতে মহড়া, ভয়ভীতি প্রদর্শণের ছবি বা ভিডিও দিয়ে পুলিশকে সহযোগীতা করেন, তাহলে অপরাধীদের গ্রেফতার পুলিশের সুবিধা হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা এসব কিশোর গ্যাং সংঘবদ্ধভাবে অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়লেও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ দেখা যাচ্ছে না। ফলে প্রায় প্রতিদিনই মহানগরীর কোথাও না কোথাও সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।
সর্বশেষ গত ১৯ মে বিকেল ৩টার দিকে নগরীর রাজশাহী কোর্ট একাডেমি স্কুল ছুটির সময় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৫ থেকে ৬ জনের একটি কিশোর গ্যাং দলবদ্ধভাবে ওই শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালায়।
তাদের ভাষ্য, স্কুলের সামনে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত থাকলেও হামলাকারীদের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি। প্রকাশ্যেই ওই শিক্ষার্থীর ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ। তিনি নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীকে রক্ষার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তাঁর ওপরও চড়াও হয়। এতে তিনিও মারধরের শিকার হন।
স্থানীয়দের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি করে এসব কিশোর গ্যাং এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করছে। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া ও প্রভাবশালী বড় ভাইদের প্রশ্রয়ে অনেক কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন এলাকা, সিএন্ডবি সড়ক, পদ্মাপাড়, চিড়িয়াখানা এলাকা, ভদ্রা পার্ক ও লেক, বিমান চত্বর সড়ক এবং ফ্লাইওভার এলাকায় তাদের তৎপরতা বেশি দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর আগেও রাজশাহীতে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে হামলা, ছিনতাই, মাদক সেবন ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায় শতাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যের নাম এলেও বাস্তবে তাদের দৌরাত্ম্য কমেনি বলে অভিযোগ নগরবাসীর।
নগরবাসীর দাবি, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় বলেও মনে করছেন সচেতন মহল।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে আরএমপি পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান বলেন, চুরি ছিনতাই, মাদক, কিশোর গ্যাং অপরাধ দমনে পুলিশের সকল ইউনিট এক যোগে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, নগরবাসী বাসি যদি তাদের দেশীয় অস্ত্র হাতে মহড়া, ভয়ভীতি প্রদর্শণের ছবি বা ভিডিও দিয়ে পুলিশকে সহযোগীতা করেন, তাহলে অপরাধীদের গ্রেফতার পুলিশের সুবিধা হবে।
স্টাফ রিপোর্টার