সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে একদিন যাবৎ অনশন করেছেন ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরী।
বুধবার (২০ মে) বিকাল থেকে উপজেলার তালম ইউনিয়নের তালম শাহীপাড়া গ্রামের প্রেমিক রাফির বাড়িতে অনশন করছেন তিনি।
এদিকে, প্রেমিকা বাড়িতে এসে অনশন শুরু করার পরপরই বাড়ি থেকে পালিয়েছেন অভিযুক্ত প্রেমিক রাফি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে ওই কিশোরী জানিয়েছেন, রাফির সাথে আমার তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক। সে আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও করেছে। আমাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত এক ফোটা পানিও পান করবেন না। শুধু তাই নয় বিয়ে না হলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার করবেন তিনি।
জানা গেছে, উপজেলার তালম শাহীপাড়া গ্রামের মো. জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. রাফি ইসলাম (১৮) সাথে প্রতিবেশী ওই কিশোরীর তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়াশরুমে দুজনকে এক সঙ্গে দেখে শাসন করে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান। এরপর থেকে ওই মেয়েটি বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেয়। কিন্তু প্রেমিক তাকে বিয়ে না করার জন্য নানা তালবাহানা করতে থাকেন এবং গত যোগাযোগ বন্ধ করেন। ফলে গত বুধবার প্রেমিককে বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অনশন শুরু করেন ওই কিশোরী।
রাফির বাবা মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি মীমাংসার জন্য আমরা চেষ্টা করছি।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুসরাত জাহান জানান, অনশনের বিষয়টি জানার পর ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) বিকাল থেকে উপজেলার তালম ইউনিয়নের তালম শাহীপাড়া গ্রামের প্রেমিক রাফির বাড়িতে অনশন করছেন তিনি।
এদিকে, প্রেমিকা বাড়িতে এসে অনশন শুরু করার পরপরই বাড়ি থেকে পালিয়েছেন অভিযুক্ত প্রেমিক রাফি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে ওই কিশোরী জানিয়েছেন, রাফির সাথে আমার তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক। সে আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও করেছে। আমাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত এক ফোটা পানিও পান করবেন না। শুধু তাই নয় বিয়ে না হলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার করবেন তিনি।
জানা গেছে, উপজেলার তালম শাহীপাড়া গ্রামের মো. জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. রাফি ইসলাম (১৮) সাথে প্রতিবেশী ওই কিশোরীর তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়াশরুমে দুজনকে এক সঙ্গে দেখে শাসন করে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান। এরপর থেকে ওই মেয়েটি বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেয়। কিন্তু প্রেমিক তাকে বিয়ে না করার জন্য নানা তালবাহানা করতে থাকেন এবং গত যোগাযোগ বন্ধ করেন। ফলে গত বুধবার প্রেমিককে বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অনশন শুরু করেন ওই কিশোরী।
রাফির বাবা মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি মীমাংসার জন্য আমরা চেষ্টা করছি।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুসরাত জাহান জানান, অনশনের বিষয়টি জানার পর ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিনিধি :