রাজশাহী নগরীর দামকুড়া থানা এলাকায় সংঘটিত একটি ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ও বুধবার (১৯ ও ২০ মে) ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ছিনতাইকৃত অটোরিকশা, চারটি ব্যাটারি ও ব্যাটারি খোলার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: মোঃ ওমর ফারুক বাবু (৪৩), মোঃ সেলিম (৩৫), মোঃ সুজন (৩৬) ও রাহেনুল হক (৪৫)। এর আগে গত ১৫ মে আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলো: মোঃ তানভীর রানা প্রান্ত (২২), মোঃ শামীম (৩৫), মোঃ রাব্বি (২০) ও মোঃ নূর আলম (২৫)।
বুধবার দুপুর ১২টায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান।
মুখপাত্র বলেন, নিহত মামুনুর রশিদ গত (২ মে) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে গ্যারেজ থেকে বের হন। রাতে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন সকাল ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে দামকুড়া থানা পুলিশ জোতরাবোন উত্তরপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মোঃ বাবুল বাদী হয়ে দামকুড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা মামুনুর রশিদকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর রাজশাহী মহানগর ডিবি পুলিশের একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৫ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাহ আলী মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকৃত অটোরিকশাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেন। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে গত ৪৮ঘন্টায় আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আটজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বুধবার দুপুরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ও বুধবার (১৯ ও ২০ মে) ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ছিনতাইকৃত অটোরিকশা, চারটি ব্যাটারি ও ব্যাটারি খোলার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: মোঃ ওমর ফারুক বাবু (৪৩), মোঃ সেলিম (৩৫), মোঃ সুজন (৩৬) ও রাহেনুল হক (৪৫)। এর আগে গত ১৫ মে আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলো: মোঃ তানভীর রানা প্রান্ত (২২), মোঃ শামীম (৩৫), মোঃ রাব্বি (২০) ও মোঃ নূর আলম (২৫)।
বুধবার দুপুর ১২টায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান।
মুখপাত্র বলেন, নিহত মামুনুর রশিদ গত (২ মে) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে গ্যারেজ থেকে বের হন। রাতে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন সকাল ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে দামকুড়া থানা পুলিশ জোতরাবোন উত্তরপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মোঃ বাবুল বাদী হয়ে দামকুড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা মামুনুর রশিদকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর রাজশাহী মহানগর ডিবি পুলিশের একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৫ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাহ আলী মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকৃত অটোরিকশাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেন। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে গত ৪৮ঘন্টায় আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আটজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বুধবার দুপুরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :