আজ বুধবার (২০ মে) বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য-‘নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় আস্থা নির্মাণে মেট্রোলজি’। সারাদেশের ন্যায়রাজশাহীতেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন(বিএসটিআই)-এর রাজশাহীর সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবসে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বিএসটিআই একটি জনমুখী প্রতিষ্ঠান। এর কার্যক্রম সবই অ্যাকশান অরিয়েন্টেড। বিএসটিআই যেন জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় আগামীতে আমরা সেই কাজ করব। শুধু ওজনেই না আমাদের পণ্যের গুণগত মান সঠিক আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্দেশনায় বলা আছে যে মোড়কজাত পণ্যের সিল দেখে কিনবেন। কিন্তু আমাদের বাজারে মোড়কজাত পণ্যের বাইরে অনেক পণ্য আছে। যেটি খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ আমরা লাইসেন্স গ্রহণকৃত হোটেলে গিয়ে অভিযান চালাচ্ছি অথচ আমাদের ফুটপাতে যেসব খাদ্য পণ্য বিক্রি হচ্ছে এর মান কে নির্ধারণ ও নিশ্চিত করবে? ফুচকা খেয়ে মারা গেল এক পরিবারের চারজন। আমার মনে হয় এ বিষয়ে বিএসটিআইয়ের ভূমিকা রাখার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, হোটেলের খাবারের সঠিক মান যেভাবে আমাদের শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে ঠিক তেমনি ফুটপাতের খাবারের মানও নিশ্চিত করতে হবে। কেননা হোটেলের থেকে চার পাঁচ গুণ বেশি মানুষ ফুটপাতে খায়। মোড়কজাত ছাড়া যেন কোনো দোকানে খাবার বিক্রি না হয় তা তদারকি করতে হবে এবং এর আইনগুলো আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা দরকার।
বজলুর রশীদ বলেন, ব্যবসা করার আরও অনেক ক্ষেত্র আছে কিন্তু যিনি খাবার নিয়ে ব্যবসা করবেন তাকে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আপনি যখন কাপড়ের ব্যবসা করেন সেখানে ভেজাল দিলেও কিছু সহনীয় আছে। কিন্তু আপনি যখন খাবার বিক্রি করবেন তখন অবশ্যই খাবারটা মানসম্মত হতে হবে কেননা এখানে তাৎক্ষণিক জীবন জড়িত। কিছুদিন আগে তরমুজ খেয়ে এক পরিবারে চারজন মারা গেছে এটা আপনাদের সকলের জানা।
তিনি বলেন, রাজশাহী শহরে নজরদারি বেশি হওয়ার কারণে হয়তো আমরা কিছু ভালো খাবার পাচ্ছি কিন্তু গ্রামে নামহীন কত পণ্য বাজারে বিক্রি হচ্ছে, তা গ্রামের শিশুরা খাচ্ছে।এখানেও আমাদের নজরদারির গুরুত্ব আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, মেট্রিক পদ্ধতি যেন আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য না হয়ে দাঁড়ায় কারণ আপনারা জানেন আমেরিকায় এখনো মেট্রিক পদ্ধতি যায় নি ওখানে এখনো গ্যালনে বিক্রি হয় । কাজেই মেট্রিক পদ্ধতির জন্য উদ্বীগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। আন্তর্জাতিক নীতি নিয়ে আমরা কাজ করব। কিন্তু এটাই যেন একমাত্র লক্ষ্য না হয়। বিএসটিআই এর সকল কাজে আমরা সম্পৃক্ত থাকবো কারণ বিএসটিআই আমাদের পণ্যের গুণগত মানের নিশ্চয়তা দেয়। বিএসটিআই কে আমরা ১৬১১৯ নম্বরে কল করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করব। তাহলে তাদের আইন প্রয়োগ করতে সহজ হবে।
সাংবাদিকদের অনুরোধ করে তিনি বলেন, খাবারের যে সকল অনিয়ম ও ভেজালের খবর আপনাদের কাছে থাকবে সেগুলো তথ্য দিয়েয আমাদের সহযোগিতা করবেন। তাহলে আমরা রাজশাহীকে যেমন বসবাসযোগ্য গ্রিন সিটি করেছি তেমনি আমরা রাজশাহীকে গ্রিন ফুড সিটিও ঘোষণা করতে পারবো।
রাজশাহী বিএসটিআই এর বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক জহুরা শিকদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান এবং রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি সহসভাপত্বি মো. জিয়া উদ্দিন প্রমুখ।এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, সুধীজন এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বিএসটিআই একটি জনমুখী প্রতিষ্ঠান। এর কার্যক্রম সবই অ্যাকশান অরিয়েন্টেড। বিএসটিআই যেন জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় আগামীতে আমরা সেই কাজ করব। শুধু ওজনেই না আমাদের পণ্যের গুণগত মান সঠিক আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্দেশনায় বলা আছে যে মোড়কজাত পণ্যের সিল দেখে কিনবেন। কিন্তু আমাদের বাজারে মোড়কজাত পণ্যের বাইরে অনেক পণ্য আছে। যেটি খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ আমরা লাইসেন্স গ্রহণকৃত হোটেলে গিয়ে অভিযান চালাচ্ছি অথচ আমাদের ফুটপাতে যেসব খাদ্য পণ্য বিক্রি হচ্ছে এর মান কে নির্ধারণ ও নিশ্চিত করবে? ফুচকা খেয়ে মারা গেল এক পরিবারের চারজন। আমার মনে হয় এ বিষয়ে বিএসটিআইয়ের ভূমিকা রাখার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, হোটেলের খাবারের সঠিক মান যেভাবে আমাদের শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে ঠিক তেমনি ফুটপাতের খাবারের মানও নিশ্চিত করতে হবে। কেননা হোটেলের থেকে চার পাঁচ গুণ বেশি মানুষ ফুটপাতে খায়। মোড়কজাত ছাড়া যেন কোনো দোকানে খাবার বিক্রি না হয় তা তদারকি করতে হবে এবং এর আইনগুলো আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা দরকার।
বজলুর রশীদ বলেন, ব্যবসা করার আরও অনেক ক্ষেত্র আছে কিন্তু যিনি খাবার নিয়ে ব্যবসা করবেন তাকে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আপনি যখন কাপড়ের ব্যবসা করেন সেখানে ভেজাল দিলেও কিছু সহনীয় আছে। কিন্তু আপনি যখন খাবার বিক্রি করবেন তখন অবশ্যই খাবারটা মানসম্মত হতে হবে কেননা এখানে তাৎক্ষণিক জীবন জড়িত। কিছুদিন আগে তরমুজ খেয়ে এক পরিবারে চারজন মারা গেছে এটা আপনাদের সকলের জানা।
তিনি বলেন, রাজশাহী শহরে নজরদারি বেশি হওয়ার কারণে হয়তো আমরা কিছু ভালো খাবার পাচ্ছি কিন্তু গ্রামে নামহীন কত পণ্য বাজারে বিক্রি হচ্ছে, তা গ্রামের শিশুরা খাচ্ছে।এখানেও আমাদের নজরদারির গুরুত্ব আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, মেট্রিক পদ্ধতি যেন আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য না হয়ে দাঁড়ায় কারণ আপনারা জানেন আমেরিকায় এখনো মেট্রিক পদ্ধতি যায় নি ওখানে এখনো গ্যালনে বিক্রি হয় । কাজেই মেট্রিক পদ্ধতির জন্য উদ্বীগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। আন্তর্জাতিক নীতি নিয়ে আমরা কাজ করব। কিন্তু এটাই যেন একমাত্র লক্ষ্য না হয়। বিএসটিআই এর সকল কাজে আমরা সম্পৃক্ত থাকবো কারণ বিএসটিআই আমাদের পণ্যের গুণগত মানের নিশ্চয়তা দেয়। বিএসটিআই কে আমরা ১৬১১৯ নম্বরে কল করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করব। তাহলে তাদের আইন প্রয়োগ করতে সহজ হবে।
সাংবাদিকদের অনুরোধ করে তিনি বলেন, খাবারের যে সকল অনিয়ম ও ভেজালের খবর আপনাদের কাছে থাকবে সেগুলো তথ্য দিয়েয আমাদের সহযোগিতা করবেন। তাহলে আমরা রাজশাহীকে যেমন বসবাসযোগ্য গ্রিন সিটি করেছি তেমনি আমরা রাজশাহীকে গ্রিন ফুড সিটিও ঘোষণা করতে পারবো।
রাজশাহী বিএসটিআই এর বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক জহুরা শিকদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান এবং রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি সহসভাপত্বি মো. জিয়া উদ্দিন প্রমুখ।এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, সুধীজন এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :