গাইবান্ধা সদর উপজেলায় পিকআপ ভ্যান ও ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের কুমারপাড়া-ঠাকুরের দীঘি এলাকার দারিয়াপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের আনালেরতাড়ি গ্রামের মাসুদুর রহমান দর্জির ছেলে আব্দুর রাজ্জাক রোস্তম (৩৩) এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ছাতনাবাড়ি গ্রামের বাবু বাশারের ছেলে অটোরিক্সা চালক ফরিদ মিয়া (৪৭)।
স্থানীয়রা জানান, মুরগি পরিবহনকারী একটি পিকআপ ভ্যানের চাকা হঠাৎ বিস্ফোরিত হলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা ব্যাটারিচালিত যাত্রীবাহী অটোরিক্সার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুর রাজ্জাক নিহত হন। আহত হন এক শিশুসহ সাবেক শিক্ষক সামিউল ইসলাম ও নারীসহ আরও চারজন।
দুর্ঘটনায় অটোরিক্সা ও পিকআপ ভ্যান দুমড়ে-মুচড়ে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে গুরুতর আহত ফরিদ মিয়াকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত পিকআপ ভ্যানটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের কুমারপাড়া-ঠাকুরের দীঘি এলাকার দারিয়াপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের আনালেরতাড়ি গ্রামের মাসুদুর রহমান দর্জির ছেলে আব্দুর রাজ্জাক রোস্তম (৩৩) এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ছাতনাবাড়ি গ্রামের বাবু বাশারের ছেলে অটোরিক্সা চালক ফরিদ মিয়া (৪৭)।
স্থানীয়রা জানান, মুরগি পরিবহনকারী একটি পিকআপ ভ্যানের চাকা হঠাৎ বিস্ফোরিত হলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা ব্যাটারিচালিত যাত্রীবাহী অটোরিক্সার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুর রাজ্জাক নিহত হন। আহত হন এক শিশুসহ সাবেক শিক্ষক সামিউল ইসলাম ও নারীসহ আরও চারজন।
দুর্ঘটনায় অটোরিক্সা ও পিকআপ ভ্যান দুমড়ে-মুচড়ে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে গুরুতর আহত ফরিদ মিয়াকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত পিকআপ ভ্যানটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রতিনিধি :