দেশে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় মুফাসসিরদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন মাওলানা আব্দুল হালিম।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। এ দেশের মানুষ ঈমান ও দীনের ব্যাপারে আপসহীন। কুরআন-সুন্নাহর কথা বললে তারা দ্বিধাহীনভাবে তা গ্রহণ করে। তাই সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে মুফাসসিরদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
রোববার (১৭ মে) বিকাল ৫টায় রাজধানীর সেন্ট্রাল পাবলিক লাইব্রেরী-এ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীন-এর কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ-এর সভাপতিত্বে এবং জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা নুরুল আমীন-এর সঞ্চালনায় অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মুফতি খলিলুর রহমান আল মাদানী।
মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আল্লাহভীতি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে অপরাধ, অন্যায় ও জুলুম প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে তাকওয়ার যথাযথ চর্চা নিশ্চিত করা গেলে সমাজ থেকে অপরাধ ও অবিচার দূর করা সম্ভব। তিনি ইসলামি আন্দোলনের কর্মীদের বাধা-বিপত্তি ও নির্যাতনের মধ্যেও দ্বীনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে ভারতে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মুসলিম উম্মাহর স্বার্থে বিশ্ব মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে তিনি সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান করতে কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. মুফতি খলিলুর রহমান আল মাদানী বলেন, সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে মুফাসসিরদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সামাজিক সংকট নিরসনে আলেম ও মুফাসসিরদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, ড. সামিউল হক ফারুকী, ড. আব্দুস সামাদ, ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, মাওলানা মোশাররফ হোসেন, ড. আ ন ম রশিদ মাদানী এবং ড. মহিউদ্দিন, মাওলানা মোঃ রুহুল আমীন-সহ দেশবরেণ্য আলেম ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। এ দেশের মানুষ ঈমান ও দীনের ব্যাপারে আপসহীন। কুরআন-সুন্নাহর কথা বললে তারা দ্বিধাহীনভাবে তা গ্রহণ করে। তাই সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে মুফাসসিরদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
রোববার (১৭ মে) বিকাল ৫টায় রাজধানীর সেন্ট্রাল পাবলিক লাইব্রেরী-এ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীন-এর কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ-এর সভাপতিত্বে এবং জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা নুরুল আমীন-এর সঞ্চালনায় অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মুফতি খলিলুর রহমান আল মাদানী।
মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আল্লাহভীতি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে অপরাধ, অন্যায় ও জুলুম প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে তাকওয়ার যথাযথ চর্চা নিশ্চিত করা গেলে সমাজ থেকে অপরাধ ও অবিচার দূর করা সম্ভব। তিনি ইসলামি আন্দোলনের কর্মীদের বাধা-বিপত্তি ও নির্যাতনের মধ্যেও দ্বীনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে ভারতে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মুসলিম উম্মাহর স্বার্থে বিশ্ব মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে তিনি সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান করতে কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. মুফতি খলিলুর রহমান আল মাদানী বলেন, সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে মুফাসসিরদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সামাজিক সংকট নিরসনে আলেম ও মুফাসসিরদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, ড. সামিউল হক ফারুকী, ড. আব্দুস সামাদ, ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, মাওলানা মোশাররফ হোসেন, ড. আ ন ম রশিদ মাদানী এবং ড. মহিউদ্দিন, মাওলানা মোঃ রুহুল আমীন-সহ দেশবরেণ্য আলেম ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :