নাটোরের লালপুরে কদিমচিলান ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড ও চাল বিতরণে ডিলারের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা আদায় অভিযোগ উঠেছে। ডিলার কার্ডধারীদের নিকট থেকে প্রতি কার্ডে ১’শ টাকা থেকে শুরু করে ৩’শ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছে এবং চাল ওজনে কম দিচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান। এছাড়া কার্ডে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আফরোজা পারভীনের সিল থাকলেও স্বাক্ষর দেখা যায়নি। উপজেলার কদিমচিলান ইউনিয়নের ডিলার আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ পাওয়া গেছে। কার্ডধারীকে প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে ৩০ কেজি চাল দেওয়ার কথা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তিনি ৩০ কেজি চালের দাম নিয়ে ২৮ থেকে ২৯ কেজি চাল দিয়ে থাকেন।
এবিষয়ে কদিমচিলান ইউনিয়নের ঘাটচিলান গ্রামে ভুক্তভোগী পারভীন বেগম বলেন, ডিলার আতাউর আমার কার্ড করতে ২’শ টাকা নিয়েছে।
এবিষয়ে একই গ্রামের সালেহা বলেন, আতাউর আমার নিকট থেকেও টাকা নিয়েছেন।
এবিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আঃ সালাম বলেন, আতাউর ডিলার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ডে ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে টাকা নিয়েছে এবং ওজনে চাল কম দিচ্ছেন।
এবিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ইব্রাহিম বলেন, ডিলার আতাউর রহমান খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে ডিলার আতাউর রহমান বলেন, আমার স্ত্রীর নিকট কিছু মানুষ টাকা দিয়ে গেছেন। পরে আমি টাকা ফিরত দিয়েছি।
এবিষয়ে কদিমচিলান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনাসারুল ইসলাম বলেন, ডিলার আতাউর রহমান ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে কার্ড দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছে এবং ওজনে চাউল কম দিয়ে যাচ্ছেন।
এবিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আফরোজা পারভীন বলেন, আমি প্রতিটি কার্ডে স্বাক্ষর করেছি। আর ডিলারের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে কদিমচিলান ইউনিয়নের ঘাটচিলান গ্রামে ভুক্তভোগী পারভীন বেগম বলেন, ডিলার আতাউর আমার কার্ড করতে ২’শ টাকা নিয়েছে।
এবিষয়ে একই গ্রামের সালেহা বলেন, আতাউর আমার নিকট থেকেও টাকা নিয়েছেন।
এবিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আঃ সালাম বলেন, আতাউর ডিলার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ডে ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে টাকা নিয়েছে এবং ওজনে চাল কম দিচ্ছেন।
এবিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ইব্রাহিম বলেন, ডিলার আতাউর রহমান খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে ডিলার আতাউর রহমান বলেন, আমার স্ত্রীর নিকট কিছু মানুষ টাকা দিয়ে গেছেন। পরে আমি টাকা ফিরত দিয়েছি।
এবিষয়ে কদিমচিলান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনাসারুল ইসলাম বলেন, ডিলার আতাউর রহমান ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে কার্ড দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছে এবং ওজনে চাউল কম দিয়ে যাচ্ছেন।
এবিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আফরোজা পারভীন বলেন, আমি প্রতিটি কার্ডে স্বাক্ষর করেছি। আর ডিলারের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাহিদ হোসেন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি