জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বিএনপির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, দলটি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল থেকে চাঁদাবাজির দলে পরিণত হয়েছে এবং বিএনপির আপাদমস্তক সবাই চাঁদাবাজ, এমন অভিযোগও তিনি করেন।
রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, বিএনপি অতীতে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে এবং অনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না রাখার অঙ্গীকার করলেও ক্ষমতায় গিয়ে ৪২ জেলায় প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে “অনির্বাচিত প্রতিনিধি বসিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “যে পথে স্বৈরাচার হেঁটেছে, বিএনপিও সেই একই পথে হাঁটছে।” পাশাপাশি বিএনপির বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, একজন চাঁদাবাজেরও বিচার হয়নি।
বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, সংসদের বয়স খুবই কম হলেও সরকার দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে এবং নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে “গাদ্দারি” করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সংবিধান সংস্কার, মানবাধিকার কমিশন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়ে সরকার ইতিবাচক অবস্থান নেয়নি। বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংসদের আলোচনার প্রসঙ্গে হতাশা প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, দেশের অর্থনীতি, বেকারত্ব, ব্যাংকিং ও ব্যবসা খাতের পরিবর্তে ইতিহাস নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে।
তিনি আরও বলেন, ইতিহাস চর্চা হওয়া উচিত শিক্ষা নেওয়ার জন্য, বিভাজন সৃষ্টির জন্য নয়।
ফারাক্কা বাঁধ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নদীর ন্যায্য পানি বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে এবং পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যা দিতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) চেয়ারম্যান), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (জামায়াতের নায়েবে আমির), এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলমসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এবং সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মণ্ডল।
সমাবেশটি রাজনৈতিক ঐক্য, সরকারবিরোধী অবস্থান এবং বিএনপির বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা দেশ পরিচালনা, নির্বাচন, দুর্নীতি ও নদী ব্যবস্থাপনা ইস্যুতে বিভিন্ন দাবি ও অভিযোগ তুলে ধরেন।
রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, বিএনপি অতীতে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে এবং অনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না রাখার অঙ্গীকার করলেও ক্ষমতায় গিয়ে ৪২ জেলায় প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে “অনির্বাচিত প্রতিনিধি বসিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “যে পথে স্বৈরাচার হেঁটেছে, বিএনপিও সেই একই পথে হাঁটছে।” পাশাপাশি বিএনপির বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, একজন চাঁদাবাজেরও বিচার হয়নি।
বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, সংসদের বয়স খুবই কম হলেও সরকার দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে এবং নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে “গাদ্দারি” করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সংবিধান সংস্কার, মানবাধিকার কমিশন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়ে সরকার ইতিবাচক অবস্থান নেয়নি। বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংসদের আলোচনার প্রসঙ্গে হতাশা প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, দেশের অর্থনীতি, বেকারত্ব, ব্যাংকিং ও ব্যবসা খাতের পরিবর্তে ইতিহাস নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে।
তিনি আরও বলেন, ইতিহাস চর্চা হওয়া উচিত শিক্ষা নেওয়ার জন্য, বিভাজন সৃষ্টির জন্য নয়।
ফারাক্কা বাঁধ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নদীর ন্যায্য পানি বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে এবং পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যা দিতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) চেয়ারম্যান), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (জামায়াতের নায়েবে আমির), এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলমসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এবং সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মণ্ডল।
সমাবেশটি রাজনৈতিক ঐক্য, সরকারবিরোধী অবস্থান এবং বিএনপির বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা দেশ পরিচালনা, নির্বাচন, দুর্নীতি ও নদী ব্যবস্থাপনা ইস্যুতে বিভিন্ন দাবি ও অভিযোগ তুলে ধরেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :