ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন কলেজ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আরও এগিয়ে যাবে।
শনিবার (১৬ মে) রাত ৯টায় কলেজে গভর্নিং বডির সদস্য ও শিক্ষক-কর্মচারীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেন, মেধাবীদের কেউ দমিয়ে রাখতে পারে না। ভ্যান-রিকশাচালকের সন্তানরাও আজ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পেশায় কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে শিক্ষকরা যথাযথ ভূমিকা রাখলে প্রতিষ্ঠানটি স্বাভাবিকভাবেই আরও উন্নতি করবে।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন এবং মেট্রোপলিটন কলেজের বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
কৃষিজমি রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, “জল যার জলা তার, আর যে ফসল উৎপাদন করে জমি তার, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষিজমি রক্ষা করতে হবে। ভূমিদস্যুরা দেশের ও জাতির শত্রু বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুকুমার সরকার। প্রধান বক্তা ছিলেন গভর্নিং বডির সভাপতি মোহা. সাদরুল আমিন। আরও বক্তব্য দেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুলতান সাব্বির আহমেদ, সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোছা. রেবেকা সুলতানা এবং সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান বুলেট।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ এবং মানপত্র পাঠ করেন গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আছের উদ্দিন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (১৬ মে) রাত ৯টায় কলেজে গভর্নিং বডির সদস্য ও শিক্ষক-কর্মচারীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেন, মেধাবীদের কেউ দমিয়ে রাখতে পারে না। ভ্যান-রিকশাচালকের সন্তানরাও আজ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পেশায় কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে শিক্ষকরা যথাযথ ভূমিকা রাখলে প্রতিষ্ঠানটি স্বাভাবিকভাবেই আরও উন্নতি করবে।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন এবং মেট্রোপলিটন কলেজের বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
কৃষিজমি রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, “জল যার জলা তার, আর যে ফসল উৎপাদন করে জমি তার, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষিজমি রক্ষা করতে হবে। ভূমিদস্যুরা দেশের ও জাতির শত্রু বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুকুমার সরকার। প্রধান বক্তা ছিলেন গভর্নিং বডির সভাপতি মোহা. সাদরুল আমিন। আরও বক্তব্য দেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুলতান সাব্বির আহমেদ, সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোছা. রেবেকা সুলতানা এবং সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান বুলেট।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ এবং মানপত্র পাঠ করেন গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আছের উদ্দিন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :