লাল শাড়ি, হাতে রঙিন চুড়ি আর বাঙালি বধূর ঐতিহ্যবাহী সাজে সেজেছেন মালয়েশিয়ার তরুণী হাফিজা আইডা। তাকে দেখে সহজে বোঝার উপায় নেই তিনি বিদেশি। প্রেমের টানে হাজার মাইল দূর পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে প্রেমিক রাকিব হাসানের হাত ধরে বসেছেন বিয়ের পিঁড়িতে।
জানা যায়, কাপাসিয়া সদরের বাসিন্দা রাকিব হাসান দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়া-এ কর্মরত ছিলেন। সেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা আইডার সঙ্গে। সেই পরিচয় থেকে শুরু হয় বন্ধুত্ব, আর সময়ের সঙ্গে তা গড়ায় ভালোবাসায়।
চার বছরের দীর্ঘ সম্পর্কের পর দুই পরিবারের সম্মতিতে সম্পন্ন হয় তাদের বিয়ে। বাঙালি সংস্কৃতির আদলে গায়ে হলুদ, বৌভাতসহ নানা আয়োজনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠান। নবদম্পতিকে শুভকামনা জানাতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন স্বজন ও অতিথিরা।
রাকিব হাসান জানান, ভালোবাসার মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে তিনি খুবই আনন্দিত। অন্যদিকে বাংলাদেশি সংস্কৃতি, পারিবারিক বন্ধন ও আত্মীয়তার আন্তরিকতায় মুগ্ধ মালয়েশিয়ান নববধূ হাফিজা আইডাও।
নবদম্পতির ইচ্ছা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলেমিশে বাংলাদেশেই সুখে-শান্তিতে বসবাস করার। ব্যতিক্রমী এই বিয়ে ও বিদেশি কনেকে একনজর দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ।
জানা যায়, কাপাসিয়া সদরের বাসিন্দা রাকিব হাসান দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়া-এ কর্মরত ছিলেন। সেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা আইডার সঙ্গে। সেই পরিচয় থেকে শুরু হয় বন্ধুত্ব, আর সময়ের সঙ্গে তা গড়ায় ভালোবাসায়।
চার বছরের দীর্ঘ সম্পর্কের পর দুই পরিবারের সম্মতিতে সম্পন্ন হয় তাদের বিয়ে। বাঙালি সংস্কৃতির আদলে গায়ে হলুদ, বৌভাতসহ নানা আয়োজনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠান। নবদম্পতিকে শুভকামনা জানাতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন স্বজন ও অতিথিরা।
রাকিব হাসান জানান, ভালোবাসার মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে তিনি খুবই আনন্দিত। অন্যদিকে বাংলাদেশি সংস্কৃতি, পারিবারিক বন্ধন ও আত্মীয়তার আন্তরিকতায় মুগ্ধ মালয়েশিয়ান নববধূ হাফিজা আইডাও।
নবদম্পতির ইচ্ছা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলেমিশে বাংলাদেশেই সুখে-শান্তিতে বসবাস করার। ব্যতিক্রমী এই বিয়ে ও বিদেশি কনেকে একনজর দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ।
অনলাইন ডেস্ক