রাজশাহীর দুর্গাপুরে নিখোঁজের ২১ঘণ্টা পর বাড়ি থেকে প্রায় ২০হাত দুরে খেজুর গাছতলা থেকে নিখোঁজ হুমায়রা জান্নাত (৪) মরদেহ উদ্ধার করছে পরিবারের লোকজন।
এর আগে শুক্রবার বিকেল এ নিখোঁজ হলে রাতভর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা বাড়ির আশপাশ, পুকুর এবং জঙ্গল এলাকায় তল্লাশি চালালেও কোনো সন্ধান মিলছিল না শিশুটির।
পরদিন গতকাল শনিবার ১৬ (মে) সকাল ৮টায় নিখোঁজ হুমায়রার বাবা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে তার কন্যা শিশুর সন্ধ্যান বা ফিরে দিলে ১লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দেয়।
এরপর দুপুর ২টার দিকে বাড়ির পাশে থেকে মৃত অবস্থায় হুমায়রা জান্নাতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিখোঁজ হুমায়রা জান্নাত উপজেলার হাটকানপাড়া বাজার এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা হাসিবুল হোসেন শান্ত একজন ফার্মেসি ব্যবসায়ী। গত শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় হুমায়রা। ওই সময় তার সমবয়সী আরও কয়েকজন শিশু সেখানে খেলছিল।
হুমায়রার বাবা হাসিবুল হোসেন শান্ত বলেন, তার মেয়েকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার মেয়েকে বিষ খাওয়ানো হয়েছে দাবি করে বলেন, তার মুখ দিয়ে বিষের গন্ধ বের হচ্ছিল। এছাড়াও আমার মেয়ের শরীরে অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শান্ত বলেন, খেজুর গাছের নিচ থেকে যখন আমার মেয়ে কোলে তুলে নিই তখন মনে হচ্ছিল যেন তাট পুরো শরীর যেন রক্ত জমাট বেঁধেছে। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
জানতে চাইলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, শিশুটির শরীরে বড় আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে পেট বেশ ফোলা ও বামহাত কিছু জায়গায় ছোটছোট জখমের চিহ্ন পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটির মৃত্যু অস্বাভাবিক ভাবে হয়েছে। লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলেই তার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন হবে।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পঞ্চনন্দ সরকার বলেন, নিখোঁজের একদিন পর শিশুটি বাড়ির পাশে কে বা কারা ফেলে রেখে গেছে। পরে তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এরআগে শুক্রবার বিকেলে নিখোঁজ হলে অনেক চেষ্টা করেও তাকে খোঁজে পাওয়া যায় নি। ওসি বলেন, শিশুটির কী কারণে মৃত্যু হয়েছে তার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
এর আগে শুক্রবার বিকেল এ নিখোঁজ হলে রাতভর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা বাড়ির আশপাশ, পুকুর এবং জঙ্গল এলাকায় তল্লাশি চালালেও কোনো সন্ধান মিলছিল না শিশুটির।
পরদিন গতকাল শনিবার ১৬ (মে) সকাল ৮টায় নিখোঁজ হুমায়রার বাবা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে তার কন্যা শিশুর সন্ধ্যান বা ফিরে দিলে ১লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দেয়।
এরপর দুপুর ২টার দিকে বাড়ির পাশে থেকে মৃত অবস্থায় হুমায়রা জান্নাতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিখোঁজ হুমায়রা জান্নাত উপজেলার হাটকানপাড়া বাজার এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা হাসিবুল হোসেন শান্ত একজন ফার্মেসি ব্যবসায়ী। গত শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় হুমায়রা। ওই সময় তার সমবয়সী আরও কয়েকজন শিশু সেখানে খেলছিল।
হুমায়রার বাবা হাসিবুল হোসেন শান্ত বলেন, তার মেয়েকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার মেয়েকে বিষ খাওয়ানো হয়েছে দাবি করে বলেন, তার মুখ দিয়ে বিষের গন্ধ বের হচ্ছিল। এছাড়াও আমার মেয়ের শরীরে অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শান্ত বলেন, খেজুর গাছের নিচ থেকে যখন আমার মেয়ে কোলে তুলে নিই তখন মনে হচ্ছিল যেন তাট পুরো শরীর যেন রক্ত জমাট বেঁধেছে। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
জানতে চাইলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, শিশুটির শরীরে বড় আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে পেট বেশ ফোলা ও বামহাত কিছু জায়গায় ছোটছোট জখমের চিহ্ন পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটির মৃত্যু অস্বাভাবিক ভাবে হয়েছে। লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলেই তার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন হবে।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পঞ্চনন্দ সরকার বলেন, নিখোঁজের একদিন পর শিশুটি বাড়ির পাশে কে বা কারা ফেলে রেখে গেছে। পরে তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এরআগে শুক্রবার বিকেলে নিখোঁজ হলে অনেক চেষ্টা করেও তাকে খোঁজে পাওয়া যায় নি। ওসি বলেন, শিশুটির কী কারণে মৃত্যু হয়েছে তার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
ফরিদ আহমেদ আবির