সানস্ক্রিনের বর্ম, ছাতা, টুপি যতই থাক, রোদে ত্বক পুড়ে যাওয়ার সমস্যা এড়ানো মুশকিল। বিশেষত, রোদে দিনভর ঘোরাঘুরি করলে মুখে কালচে ছোপ পড়বেই। বাজারচলতি নানা রকম ডি-ট্যান প্যাক আছে, কালচে ভাব তোলার জন্য। সালোঁয় নানা রকম ফেশিয়ালও হয়।
তবে যদি ঘরোয়া উপকরণে ভরসা রাখতে চান, নিজের মতো করেই রূপচর্চা সারতে পারেন হাতের কাছে থাকা জিনিস দিয়ে। বেসন থেকে ওট্স, তিসির বীজ— ছোটখাটো অনেক উপকরণই ফিরিয়ে দিতে পারে জেল্লা। প্রাকৃতিক জিনিস হলেও এই সব ফেলনা নয় মোটেই।
স্ক্রাব: ঘরেই বানিয়ে রাখুন স্ক্রাব। ওট্সের সঙ্গে কয়েকটি আমন্ড বা কাঠবাদাম মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। যোগ করুন ১ টেবিল চামচ কফি। দুধ মিশিয়ে গুলে নিন। স্ক্রাব হিসাবে প্রতি দিন বা দুই দিন অন্তর তা ব্যবহার করুন।
চালের গুঁড়ো এবং আলুর রস: আলুর রস চোখের তলার কালি, মুখের কালচে দাগছোপ দূর করতে ব্যবহার হয়। চালের গুঁড়ো বহু দিন ধরেই ঘরোয়া ত্বকচর্চার উপাদান। ১ টেবিল চামচ চালের গুঁড়োর সঙ্গে ২-৩ টেবিল চামচ আলুর রস মিশিয়ে মুখে মাখুন। স্ক্রাব বা মুখে মাখার প্যাক, দুই হিসাবেই এটি ব্যবহার করা যায়।
চন্দন: চড়া রোদে বেশি ক্ষণ থাকলে মুখে জ্বালা দেয়। চন্দন সেই কষ্ট উপশম করতে পারে। তা ছাড়া, প্রবল ঘামে যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়, তাঁদের জন্যও চন্দন ভাল। চন্দনের প্রলেপ ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়। নিয়মিত না হলেও সপ্তাহে ২ দিন এটি মাখা যেতেই পারে।
বেসন এবং মধু: দুধ দিয়ে বেসন গুলে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে নিন। শুষ্ক বা সাধারণ ত্বকের জন্য এই প্যাক বেশ উপকারী। বেসন মুখ থেকে ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। দুধ এবং মধু ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখে।
তিসির বীজ এবং চালের গুঁড়ো: বলিরেখা কমাতে, ত্বক ঝকঝকে করে তুলতে কাজ করে তিসির বীজ। এতে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। তিসির বীজ জলে ফোটালে জেলের মতো পদার্থে পরিণত হয়। তার মধ্যে চালের গুঁড়ো মিশিয়ে সুতির কাপড়ে ছেঁকে নিন। জেলের মতো পদার্থটি পরিষ্কার মুখে মাখুন। ২ মিনিট মাসাজ় করার পরে ধুয়ে নিন। বিশেষত ত্বক যাঁদের বুড়িয়ে যাচ্ছে, তাঁদের মুখে এই প্যাকটি ভীষণ কার্যকর।
তবে যদি ঘরোয়া উপকরণে ভরসা রাখতে চান, নিজের মতো করেই রূপচর্চা সারতে পারেন হাতের কাছে থাকা জিনিস দিয়ে। বেসন থেকে ওট্স, তিসির বীজ— ছোটখাটো অনেক উপকরণই ফিরিয়ে দিতে পারে জেল্লা। প্রাকৃতিক জিনিস হলেও এই সব ফেলনা নয় মোটেই।
স্ক্রাব: ঘরেই বানিয়ে রাখুন স্ক্রাব। ওট্সের সঙ্গে কয়েকটি আমন্ড বা কাঠবাদাম মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। যোগ করুন ১ টেবিল চামচ কফি। দুধ মিশিয়ে গুলে নিন। স্ক্রাব হিসাবে প্রতি দিন বা দুই দিন অন্তর তা ব্যবহার করুন।
চালের গুঁড়ো এবং আলুর রস: আলুর রস চোখের তলার কালি, মুখের কালচে দাগছোপ দূর করতে ব্যবহার হয়। চালের গুঁড়ো বহু দিন ধরেই ঘরোয়া ত্বকচর্চার উপাদান। ১ টেবিল চামচ চালের গুঁড়োর সঙ্গে ২-৩ টেবিল চামচ আলুর রস মিশিয়ে মুখে মাখুন। স্ক্রাব বা মুখে মাখার প্যাক, দুই হিসাবেই এটি ব্যবহার করা যায়।
চন্দন: চড়া রোদে বেশি ক্ষণ থাকলে মুখে জ্বালা দেয়। চন্দন সেই কষ্ট উপশম করতে পারে। তা ছাড়া, প্রবল ঘামে যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়, তাঁদের জন্যও চন্দন ভাল। চন্দনের প্রলেপ ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়। নিয়মিত না হলেও সপ্তাহে ২ দিন এটি মাখা যেতেই পারে।
বেসন এবং মধু: দুধ দিয়ে বেসন গুলে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে নিন। শুষ্ক বা সাধারণ ত্বকের জন্য এই প্যাক বেশ উপকারী। বেসন মুখ থেকে ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। দুধ এবং মধু ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখে।
তিসির বীজ এবং চালের গুঁড়ো: বলিরেখা কমাতে, ত্বক ঝকঝকে করে তুলতে কাজ করে তিসির বীজ। এতে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। তিসির বীজ জলে ফোটালে জেলের মতো পদার্থে পরিণত হয়। তার মধ্যে চালের গুঁড়ো মিশিয়ে সুতির কাপড়ে ছেঁকে নিন। জেলের মতো পদার্থটি পরিষ্কার মুখে মাখুন। ২ মিনিট মাসাজ় করার পরে ধুয়ে নিন। বিশেষত ত্বক যাঁদের বুড়িয়ে যাচ্ছে, তাঁদের মুখে এই প্যাকটি ভীষণ কার্যকর।
ফারহানা জেরিন