রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের সরকারি ওষুধ চুরি করে বাইরে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে সার্জারি বিভাগের ওটি বয় মোঃ মীরের বিরুদ্ধে।
সম্প্রতী একটি ফার্মেসিতে তাকে সরকারি ওষুধ বিক্রয় করতে দেখা গেছে| ওষুধ বিক্রির সেই ভিডিও এখন সংবাদ কর্মীদের হাতে এসেছে।
অভিযুক্ত মীর (৩৫) হাসপাতালের সার্জারি ওটিতে দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে দৈনিক মজুরিভিত্তিতে কাজ করছেন। তিনি রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। তবে তার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর কাকনহাট এলাকায়।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মোঃ মীর একটি কালো ব্যাগে করে বিপুল পরিমাণ ওষুধ নিয়ে একটি ফার্মেসিতে প্রবেশ করছেন। এরপর ব্যাগ থেকে সরকারি বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সার্জিক্যাল সামগ্রী বের করে ফার্মেসিতে বিক্রয় করতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে ওটি বয় মীরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভিডিও থাকা ব্যক্তিটি আমি নই। পরে তিনি স্বীকার করে বলেন, আমি সাড়ে ৪ হাজার টাকা বেতন কাজ করি, রুগীরা যদি খুশি হয়ে আমাকে কিছু দেয়, তা দিয়েই আমার সংসার চালাই| আর বাড়তি আয় বলতে ওযুধ বিক্রির টাকা ভাগ পাই। তবে তার সাথে জড়িতদের নাম প্রকাশ করতে অস্বীকার করেন।
এছাড়াও রামেকের (৭নং) ওয়ার্ডের ওটি বয় জয়নাল চুরি করা ওষুধ বিক্রির সাড়ে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। জানতে চাইলে জয়নাল প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে গণমাধ্যম কর্মীর কাছে নিউজ না করার শর্তে স্বীকার করে বলেন, সাড়ে ৪হাজার টাকা বেতনে আমার সংসার চলে না। তাই ওষুধ বিক্রি করে বাড়তি আয় করতে বাধ্য হচ্ছি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওযুধ চুরির সাথে আনসার, ব্রাদার, নার্স ও একজন বড় মাপের চোরের নাম বলেন।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে রামেক হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) ইনচার্জ মোসাঃ ইসরাত জাহান বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আপনার কাছে জানলাম। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানতে চাইলে রামেক হাসপাতাল মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ, ডা. শঙ্কর কুমার বিশ্বাস বলেন, ওটি থেকে ওষুধ চুরির বিষয়ে আমার জানা নাই। তবে প্রমানযুক্ত কিছু পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পর্ব-১
সম্প্রতী একটি ফার্মেসিতে তাকে সরকারি ওষুধ বিক্রয় করতে দেখা গেছে| ওষুধ বিক্রির সেই ভিডিও এখন সংবাদ কর্মীদের হাতে এসেছে।
অভিযুক্ত মীর (৩৫) হাসপাতালের সার্জারি ওটিতে দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে দৈনিক মজুরিভিত্তিতে কাজ করছেন। তিনি রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। তবে তার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর কাকনহাট এলাকায়।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মোঃ মীর একটি কালো ব্যাগে করে বিপুল পরিমাণ ওষুধ নিয়ে একটি ফার্মেসিতে প্রবেশ করছেন। এরপর ব্যাগ থেকে সরকারি বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সার্জিক্যাল সামগ্রী বের করে ফার্মেসিতে বিক্রয় করতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে ওটি বয় মীরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভিডিও থাকা ব্যক্তিটি আমি নই। পরে তিনি স্বীকার করে বলেন, আমি সাড়ে ৪ হাজার টাকা বেতন কাজ করি, রুগীরা যদি খুশি হয়ে আমাকে কিছু দেয়, তা দিয়েই আমার সংসার চালাই| আর বাড়তি আয় বলতে ওযুধ বিক্রির টাকা ভাগ পাই। তবে তার সাথে জড়িতদের নাম প্রকাশ করতে অস্বীকার করেন।
এছাড়াও রামেকের (৭নং) ওয়ার্ডের ওটি বয় জয়নাল চুরি করা ওষুধ বিক্রির সাড়ে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। জানতে চাইলে জয়নাল প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে গণমাধ্যম কর্মীর কাছে নিউজ না করার শর্তে স্বীকার করে বলেন, সাড়ে ৪হাজার টাকা বেতনে আমার সংসার চলে না। তাই ওষুধ বিক্রি করে বাড়তি আয় করতে বাধ্য হচ্ছি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওযুধ চুরির সাথে আনসার, ব্রাদার, নার্স ও একজন বড় মাপের চোরের নাম বলেন।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে রামেক হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) ইনচার্জ মোসাঃ ইসরাত জাহান বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আপনার কাছে জানলাম। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানতে চাইলে রামেক হাসপাতাল মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ, ডা. শঙ্কর কুমার বিশ্বাস বলেন, ওটি থেকে ওষুধ চুরির বিষয়ে আমার জানা নাই। তবে প্রমানযুক্ত কিছু পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পর্ব-১
নিজস্ব প্রতিবেদক