ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় প্রতিদিন ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে কাজের সন্ধানে বের হন শ্রমজীবীরা। স্থানীয়দের মতে, এ অঞ্চলে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমজীবী মানুষ রয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশ প্রতিদিন শহরমুখী হন। আমজুয়ান ইউনিয়ন পরিষদ মার্কেট, মাদ্রাসা মোড়, বন্দর চৌরাস্তা এলাকায় সকাল থেকেই জড়ো হন তারা। শ্রমিকদের এই সমাগমকে অনেকে বলেন মানুষ বিক্রির হাট অথবা শ্রম বিক্রির হাট।
এই হাটে প্রত্যেকের সঙ্গে থাকে কাজের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কাস্তে, কোদাল, শাবল, দা কিংবা ডালি। এখানে বিক্রি হয় তাদের শ্রম। সকাল ৭ থেকে ১০টা পর্যন্ত সারিবদ্ধভাবে বসে থাকেন শ্রমিকেরা। কেউ আসেন কাজের সন্ধানে,কেউ আসেন কাজের জন্য ডেকে নেওয়ার আশায়।
বুধবার সকালে কথা হয় রাজমিস্ত্রি আব্দুর রশিদের সাথে তিনি বলেন, অভাবের তারনায় মানুষ শ্রমের খোঁজে প্রতিদিন বন্দর চৌরাস্তায় জড়ো হয়। মালিক পক্ষ এখানে মিস্ত্রি খোঁজে আমরা এখান থেকে লেবার নিয়ে কাজে যায়। এরকম শ্রম বিক্রির হাট উভয়ের জন্য উপকার । শ্রমিকের প্রয়োজন হলে কথাও খুঁজতে যেতে হয় না। এদিকে কৃষি কাজের জন্য পৌরশহরের মাদ্রাসা মোড়ে অবস্থান নেয় শ্রমিকরা প্রত্যেকের সঙ্গে নিয়ে আসেন কাস্তে, কোদাল, শাবলসহ নানা সরঞ্জাম। তারা প্রস্তুত থাকে শুধু একজন ক্রেতার অপেক্ষায়। বিশেষ করে চলছে ইরি ধান কাটা ও ভ’ট্টা ভাংঙ্গানোর মৌসুম । শ্রমিকের চাহিদা বেড়েছে কৃষকের, ফসল তুলতে হবে ঘরে একারনে জমে উঠেছে শ্রম বিক্রির হাট।
সুন্দরপুর গ্রামের আব্দুল জলিল বলেন, ভোরে বের হই, সারা দিন বসে থাকি। কেউ ডাকলে কাজ পাই, না হলে কোনো আয় থাকে না। বাচোর ইউনিয়নের সামশুল হক ও বাসিয়া রায় বলেন, এই হাটে বসে থাকি শুধু কাজের আশায়। যারা ডাকে, তাদের কাছে দিনভিত্তিক অথবা চুক্তি ভিত্তিক নিজেদের শ্রম বিক্রি করি। কাজ না পেলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চলে যাই।
গুয়াগাঁও গ্রামের ভন্দু রায় জানান, দিনে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা মজুরি পাই, সেটাও নিয়মিত না। অনেক দিন কোনো কাজই থাকে না। এখন কাজের চেয়ে মানুষ বেশি, তাই আমরা যেন হাটে বসে থাকা পণ্যের মতো হয়ে গেছি। তাছাড়া এ অঞ্চলের অনেক পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বাড়ি ছেড়ে গেছেন বগুড়া, কেউ কুমিল্লা, ফেনী, সিলেট কিংবা ঢাকায় আয়ের আশায়। ঢাকায় থাকা এক শ্রমিকের স্ত্রী আকলিমা বেগম বলেন, এলাকায় কাজ নেই বলেই ওদের বাইরে যেতে হয়। না গেলে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে যায়।
এ প্রসঙ্গে বিএনপি সম্পাদক আল্লামা ওয়াদুদ বিন নুর আলিফ বলেন, উত্তরবঙ্গে শিল্পকলকারখানা না থাকায় অনেক পরিবার শ্রম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। অনেক সময় অন্য জেলায় কাজের সন্ধানে চলে যায়।
এই হাটে প্রত্যেকের সঙ্গে থাকে কাজের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কাস্তে, কোদাল, শাবল, দা কিংবা ডালি। এখানে বিক্রি হয় তাদের শ্রম। সকাল ৭ থেকে ১০টা পর্যন্ত সারিবদ্ধভাবে বসে থাকেন শ্রমিকেরা। কেউ আসেন কাজের সন্ধানে,কেউ আসেন কাজের জন্য ডেকে নেওয়ার আশায়।
বুধবার সকালে কথা হয় রাজমিস্ত্রি আব্দুর রশিদের সাথে তিনি বলেন, অভাবের তারনায় মানুষ শ্রমের খোঁজে প্রতিদিন বন্দর চৌরাস্তায় জড়ো হয়। মালিক পক্ষ এখানে মিস্ত্রি খোঁজে আমরা এখান থেকে লেবার নিয়ে কাজে যায়। এরকম শ্রম বিক্রির হাট উভয়ের জন্য উপকার । শ্রমিকের প্রয়োজন হলে কথাও খুঁজতে যেতে হয় না। এদিকে কৃষি কাজের জন্য পৌরশহরের মাদ্রাসা মোড়ে অবস্থান নেয় শ্রমিকরা প্রত্যেকের সঙ্গে নিয়ে আসেন কাস্তে, কোদাল, শাবলসহ নানা সরঞ্জাম। তারা প্রস্তুত থাকে শুধু একজন ক্রেতার অপেক্ষায়। বিশেষ করে চলছে ইরি ধান কাটা ও ভ’ট্টা ভাংঙ্গানোর মৌসুম । শ্রমিকের চাহিদা বেড়েছে কৃষকের, ফসল তুলতে হবে ঘরে একারনে জমে উঠেছে শ্রম বিক্রির হাট।
সুন্দরপুর গ্রামের আব্দুল জলিল বলেন, ভোরে বের হই, সারা দিন বসে থাকি। কেউ ডাকলে কাজ পাই, না হলে কোনো আয় থাকে না। বাচোর ইউনিয়নের সামশুল হক ও বাসিয়া রায় বলেন, এই হাটে বসে থাকি শুধু কাজের আশায়। যারা ডাকে, তাদের কাছে দিনভিত্তিক অথবা চুক্তি ভিত্তিক নিজেদের শ্রম বিক্রি করি। কাজ না পেলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চলে যাই।
গুয়াগাঁও গ্রামের ভন্দু রায় জানান, দিনে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা মজুরি পাই, সেটাও নিয়মিত না। অনেক দিন কোনো কাজই থাকে না। এখন কাজের চেয়ে মানুষ বেশি, তাই আমরা যেন হাটে বসে থাকা পণ্যের মতো হয়ে গেছি। তাছাড়া এ অঞ্চলের অনেক পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বাড়ি ছেড়ে গেছেন বগুড়া, কেউ কুমিল্লা, ফেনী, সিলেট কিংবা ঢাকায় আয়ের আশায়। ঢাকায় থাকা এক শ্রমিকের স্ত্রী আকলিমা বেগম বলেন, এলাকায় কাজ নেই বলেই ওদের বাইরে যেতে হয়। না গেলে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে যায়।
এ প্রসঙ্গে বিএনপি সম্পাদক আল্লামা ওয়াদুদ বিন নুর আলিফ বলেন, উত্তরবঙ্গে শিল্পকলকারখানা না থাকায় অনেক পরিবার শ্রম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। অনেক সময় অন্য জেলায় কাজের সন্ধানে চলে যায়।
মোঃ মোবারক আলী, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: