নোয়াখালীর মাইজদীতে মাটিবাহী দ্রুতগতির একটি পিকআপের চাপায় মো. জাবেদ হোসেন আকাশ (২৮) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ঘাতক পিকআপটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে।
মঙ্গলবার গভীর রাতে মাইজদী হাসপাতাল সড়কের প্লাটরোড মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আকাশ সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামের আজাদ বখত ভূঁইয়া বাড়ির জাকের হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আকাশ একুজে পরিবহনের সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিল। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মাইজদী প্রাইম হাসপাতালে অসুস্থ বোনকে দেখতে যান। পরে সেখান থেকে বোনের স্বামীর মোটরসাইকেল নিয়ে বড় মসজিদ মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে প্লাটরোড মোড়ে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে আসা একটি মাটিবাহী পিকআপ তার মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আকাশকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পিকআপটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মঙ্গলবার গভীর রাতে মাইজদী হাসপাতাল সড়কের প্লাটরোড মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আকাশ সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামের আজাদ বখত ভূঁইয়া বাড়ির জাকের হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আকাশ একুজে পরিবহনের সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিল। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মাইজদী প্রাইম হাসপাতালে অসুস্থ বোনকে দেখতে যান। পরে সেখান থেকে বোনের স্বামীর মোটরসাইকেল নিয়ে বড় মসজিদ মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে প্লাটরোড মোড়ে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে আসা একটি মাটিবাহী পিকআপ তার মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আকাশকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পিকআপটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
গিয়াস উদ্দিন রনি ( নোয়াখালি প্রতিনিধি)