শ্বাশুরির পরকিয়া দেখে ফাস করে দেওয়ায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের বৃ- আঙ্গারু গ্রামের তাসলিমা খাতুন(২২) নামের এক গৃহবধূকে নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে বাড়িঘর ফেলে উধাও হয়ে গেছে গৃহবধূর স্বামী ও শ্বাশুরি সহ পরিবারের সবাই।
বুধবার (১৩ মে) সকালে শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের বৃ-আঙ্গারু গ্রামে এ নৃশংস হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শ্বাশুরি রহিমা খাতুন ও পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে য়াওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
নিহত গৃহবধূ তাসলিমা খাতুন (২২) বৃ-আঙ্গারু গ্রামের মমিনের ছেলে উজ্জ্বল হোসেনের স্ত্রী ও একই গ্রামের তাহের মন্ডলের মেয়ে।
নিহতের বাবা তাহের মন্ডল ও এলাকাবাসী জানায়, গত ৮ বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাসলিমা ও উজ্জ্বলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবন ভালো ভাবেই চলছিল। তাদের সংসারে দুইটি সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি তাসলিমা খাতুন তার শ্বাশুরি রহিমা খাতুনের পরকীয়া সম্পর্ক দেখে ফেলে পরিবারের সদস্যদের জানায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুরি তার উপর নির্যাতন শুরু করে। এই নির্যাতনের এক পর্যায়ে গতকাল মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে তাসলিমাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করে।
কিন্তু নিহত গৃহবধূর শরীরে নির্যাতনের আলামত দেখে সবার মনে সন্দেহ শুরু হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সত্য ঘটনা ফাস হয়ে গেলে স্বামী, শ্বশুর, শ্বাশুরি সহ পরিবারের সবাই বাড়িঘর ফেলে উধাও হয়ে যায়। এ ঘটনা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল কাদের জানান,নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। লাশের গলার দাগ দেখে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা নয়। তবে ময়না তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তিনি আরও বলেন এ ঘটনায় নিহতের বাবা তাহের মন্ডল বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের বৃ-আঙ্গারু গ্রামে এ নৃশংস হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শ্বাশুরি রহিমা খাতুন ও পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে য়াওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
নিহত গৃহবধূ তাসলিমা খাতুন (২২) বৃ-আঙ্গারু গ্রামের মমিনের ছেলে উজ্জ্বল হোসেনের স্ত্রী ও একই গ্রামের তাহের মন্ডলের মেয়ে।
নিহতের বাবা তাহের মন্ডল ও এলাকাবাসী জানায়, গত ৮ বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাসলিমা ও উজ্জ্বলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবন ভালো ভাবেই চলছিল। তাদের সংসারে দুইটি সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি তাসলিমা খাতুন তার শ্বাশুরি রহিমা খাতুনের পরকীয়া সম্পর্ক দেখে ফেলে পরিবারের সদস্যদের জানায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুরি তার উপর নির্যাতন শুরু করে। এই নির্যাতনের এক পর্যায়ে গতকাল মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে তাসলিমাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করে।
কিন্তু নিহত গৃহবধূর শরীরে নির্যাতনের আলামত দেখে সবার মনে সন্দেহ শুরু হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সত্য ঘটনা ফাস হয়ে গেলে স্বামী, শ্বশুর, শ্বাশুরি সহ পরিবারের সবাই বাড়িঘর ফেলে উধাও হয়ে যায়। এ ঘটনা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল কাদের জানান,নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। লাশের গলার দাগ দেখে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা নয়। তবে ময়না তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তিনি আরও বলেন এ ঘটনায় নিহতের বাবা তাহের মন্ডল বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার