চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মোঃ মিজানুর রহমানকে মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব জানায়, গ্রেফতার হওয়া মিজানুর রহমান (৩২) আনোয়ারা উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের বরৈয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং আব্দুল নবী মেম্বারের ছেলে। গত সোমবার (১১ মে) রাত আনুমানিক ৮টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রাম মহানগরের চকবাজার থানাধীন আধুনিক চক সুপার মার্কেটের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত হালিমা আক্তার আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চন মুন্সিবাড়ির মোহাম্মদ ইসহাকের মেয়ে। ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর পারিবারিকভাবে হাফেজ মিজানুর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে মিশকাতুল জান্নাত নামে দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল এবং এ নিয়ে একাধিকবার সামাজিক বৈঠকও হয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায়ই হালিমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। নির্যাতনের কারণে একপর্যায়ে তারা আলাদা ভাড়া বাসায় থাকলেও সম্প্রতি শ্বশুরের অসুস্থতার কথা বলে হালিমাকে আবার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
শনিবার (১০ মে) ভোরে মিজানুর রহমান ফোন করে হালিমার পরিবারকে জানান, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের টিনের চালের বীমের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় হালিমার মরদেহ দেখতে পান। এ সময় তার পা মাটির সঙ্গে লাগানো ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও দেখা যায় বলে দাবি করেন স্বজনরা।
নিহতের পরিবারের দাবি, হালিমাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর জন্য মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আনোয়ারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ১১ মে ২০২৬ তারিখে দায়ের করা হয়। এর মামলা নম্বর ১৩ এবং এতে পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
র্যাব-৭ জানায়, গ্রেফতার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গ্রেফতার হওয়া মিজানুর রহমান (৩২) আনোয়ারা উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের বরৈয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং আব্দুল নবী মেম্বারের ছেলে। গত সোমবার (১১ মে) রাত আনুমানিক ৮টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রাম মহানগরের চকবাজার থানাধীন আধুনিক চক সুপার মার্কেটের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত হালিমা আক্তার আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চন মুন্সিবাড়ির মোহাম্মদ ইসহাকের মেয়ে। ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর পারিবারিকভাবে হাফেজ মিজানুর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে মিশকাতুল জান্নাত নামে দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল এবং এ নিয়ে একাধিকবার সামাজিক বৈঠকও হয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায়ই হালিমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। নির্যাতনের কারণে একপর্যায়ে তারা আলাদা ভাড়া বাসায় থাকলেও সম্প্রতি শ্বশুরের অসুস্থতার কথা বলে হালিমাকে আবার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
শনিবার (১০ মে) ভোরে মিজানুর রহমান ফোন করে হালিমার পরিবারকে জানান, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের টিনের চালের বীমের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় হালিমার মরদেহ দেখতে পান। এ সময় তার পা মাটির সঙ্গে লাগানো ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও দেখা যায় বলে দাবি করেন স্বজনরা।
নিহতের পরিবারের দাবি, হালিমাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর জন্য মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আনোয়ারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ১১ মে ২০২৬ তারিখে দায়ের করা হয়। এর মামলা নম্বর ১৩ এবং এতে পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
র্যাব-৭ জানায়, গ্রেফতার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :