দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে বাবা ও ছেলেকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের চম্পাতলী মণ্ডলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন দুলু মিয়া (৭০) এবং তার ছেলে মো. কাবিল (৩২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, দুলু মিয়ার দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর দুই ছেলে হাবিল ও কাবিল এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই ছেলে সাদিকুল ইসলাম ও সাকিব ইসলাম। জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুলু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে ভুট্টা ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে সাদিকুল ইসলামের সঙ্গে দুলু মিয়ার তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সাদিকুল বাড়ি থেকে বল্লম ও ছুরি এনে বাবার ওপর হামলা চালান। বল্লমের আঘাতে ঘটনাস্থলেই দুলু মিয়ার মৃত্যু হয়।
বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সৎভাই কাবিলকেও ছুরিকাঘাত করে সাদিকুল। পরে তিনি কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন কাবিলকে অটোরিকশায় করে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুন নবী বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পারি, জমিজমার ভাগ–বাঁটোয়ারা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল। মরদেহ দুইটি উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের চম্পাতলী মণ্ডলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন দুলু মিয়া (৭০) এবং তার ছেলে মো. কাবিল (৩২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, দুলু মিয়ার দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর দুই ছেলে হাবিল ও কাবিল এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই ছেলে সাদিকুল ইসলাম ও সাকিব ইসলাম। জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুলু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে ভুট্টা ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে সাদিকুল ইসলামের সঙ্গে দুলু মিয়ার তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সাদিকুল বাড়ি থেকে বল্লম ও ছুরি এনে বাবার ওপর হামলা চালান। বল্লমের আঘাতে ঘটনাস্থলেই দুলু মিয়ার মৃত্যু হয়।
বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সৎভাই কাবিলকেও ছুরিকাঘাত করে সাদিকুল। পরে তিনি কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন কাবিলকে অটোরিকশায় করে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুন নবী বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পারি, জমিজমার ভাগ–বাঁটোয়ারা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল। মরদেহ দুইটি উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক