পদত্যাগ করলেন ব্রিটেনের মন্ত্রী মাইতা ফাহনবুল্লেহ। নিজে ইস্তফা দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারকেও সরে যেতে বলেছেন লেবার পার্টির এই নেত্রী।
ফাহনবুল্লেহ ছিলেন ব্রিটেনের স্থানীয় সরকার, ধর্ম ও কমিউনিটি বিষয়ক মন্ত্রী। গত সপ্তাহে ব্রিটেনে স্থানীয় সংস্থার নির্বাচনে লেবার পার্টির বিপর্যয়ের পর প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়। সমাজ মাধ্যমে ফাহনবুল্লেহ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লিখেছেন, 'আপনার সরকার মানুষের আস্থার প্রতি সম্মান দেখাতে পারেনি। আমিও মনে করি আপনি ব্যর্থ। আপনি ঘোষণা করুন কত দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেবেন।' দেশ ও দলের স্বার্থে তাঁকে শৃঙ্খলা মেনে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পদত্যাগী মন্ত্রী।
কিয়ের স্টারমারের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন যাবত লেবার পার্টিতে অসন্তোষ বাড়ছিল। সাম্প্রতিক অতীতে দেশটির আর্থিক অবস্থার চরম অবনতি হয়েছে। ২০২৯-এ ব্রিটেনে পার্লামেন্ট নির্বাচন নিয়ে লেবার পার্টি তাই দুশ্চিন্তায় আছে। দলের একাংশ চাইছে এখনই নেতা বদল করে নতুন ভাবে শুরু করতে।
গত সপ্তাহে স্থানীয় সংস্থার নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর দলে বিদ্রোহের মুখে পড়েন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। হাউস অফ কমন্সে নিজের দল লেবার পার্টির ৭০ জন সদস্য তাঁর পদত্যাগ দাবি করে যৌথ বিবৃতি দেয়। পদত্যাগ করেন চারজন পিপিএস বা পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি। পিপিএসরা হলেন ব্রিটেনে মন্ত্রীদের সহকারী। প্রশাসনিক কাজকর্ম নিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য জুনিয়র এমপিদের এই পদে নিয়োগ করা হয়। চার পিপিএস-এর পদত্যাগের পিছনে সিনিয়র নেতাদের প্রভাব থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর ধারাবাহিকতায় ফাহনবুল্লেহর পদত্যাগ স্টারমারের বিদায়ের জল্পনা উস্কে দিয়েছে। দলের বিদ্রোহীরা মনে করেন স্টারমার লেবার পার্টিকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন। ২০২৯ এ তাঁর নেতৃত্বে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নির্বাচনে মুখোমুখি হওয়া কঠিন। তাই এখনই তিনি সরে গেলে নতুন নেতা বেছে নেওয়া সম্ভব।
গদি বাঁচাতে স্টারমার সোমবার দলের এক সভায় বলেন, 'আমাকে আরও কিছুটা সময় দেওয়া হোক। দেশের আর্থিক পরিস্থিতি মেরামত করতে আমি কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছি। আমাকে সংশোধনের সুযোগ দিলে দল ও দেশের মঙ্গল হবে।' ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, এই মুহূর্তে নেতৃত্ব পরিবর্তন শুধুই বিশৃঙ্খলা ডেকে আনবে।
ফাহনবুল্লেহ ছিলেন ব্রিটেনের স্থানীয় সরকার, ধর্ম ও কমিউনিটি বিষয়ক মন্ত্রী। গত সপ্তাহে ব্রিটেনে স্থানীয় সংস্থার নির্বাচনে লেবার পার্টির বিপর্যয়ের পর প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়। সমাজ মাধ্যমে ফাহনবুল্লেহ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লিখেছেন, 'আপনার সরকার মানুষের আস্থার প্রতি সম্মান দেখাতে পারেনি। আমিও মনে করি আপনি ব্যর্থ। আপনি ঘোষণা করুন কত দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেবেন।' দেশ ও দলের স্বার্থে তাঁকে শৃঙ্খলা মেনে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পদত্যাগী মন্ত্রী।
কিয়ের স্টারমারের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন যাবত লেবার পার্টিতে অসন্তোষ বাড়ছিল। সাম্প্রতিক অতীতে দেশটির আর্থিক অবস্থার চরম অবনতি হয়েছে। ২০২৯-এ ব্রিটেনে পার্লামেন্ট নির্বাচন নিয়ে লেবার পার্টি তাই দুশ্চিন্তায় আছে। দলের একাংশ চাইছে এখনই নেতা বদল করে নতুন ভাবে শুরু করতে।
গত সপ্তাহে স্থানীয় সংস্থার নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর দলে বিদ্রোহের মুখে পড়েন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। হাউস অফ কমন্সে নিজের দল লেবার পার্টির ৭০ জন সদস্য তাঁর পদত্যাগ দাবি করে যৌথ বিবৃতি দেয়। পদত্যাগ করেন চারজন পিপিএস বা পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি। পিপিএসরা হলেন ব্রিটেনে মন্ত্রীদের সহকারী। প্রশাসনিক কাজকর্ম নিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য জুনিয়র এমপিদের এই পদে নিয়োগ করা হয়। চার পিপিএস-এর পদত্যাগের পিছনে সিনিয়র নেতাদের প্রভাব থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর ধারাবাহিকতায় ফাহনবুল্লেহর পদত্যাগ স্টারমারের বিদায়ের জল্পনা উস্কে দিয়েছে। দলের বিদ্রোহীরা মনে করেন স্টারমার লেবার পার্টিকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন। ২০২৯ এ তাঁর নেতৃত্বে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নির্বাচনে মুখোমুখি হওয়া কঠিন। তাই এখনই তিনি সরে গেলে নতুন নেতা বেছে নেওয়া সম্ভব।
গদি বাঁচাতে স্টারমার সোমবার দলের এক সভায় বলেন, 'আমাকে আরও কিছুটা সময় দেওয়া হোক। দেশের আর্থিক পরিস্থিতি মেরামত করতে আমি কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছি। আমাকে সংশোধনের সুযোগ দিলে দল ও দেশের মঙ্গল হবে।' ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, এই মুহূর্তে নেতৃত্ব পরিবর্তন শুধুই বিশৃঙ্খলা ডেকে আনবে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক