ঢাকা , সোমবার, ০১ জুন ২০২৬ , ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কলাকোপাতে ব্যাপক উৎসব উদ্দিপনায় বৈশাখী সুবাদ মেলা উদযাপন ​পীরগঞ্জ মিলন সংঘের আয়োজনে ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত। রাজশাহীর আমবাজারে ধস, উৎপাদন খরচও উঠছে না চাষিদের শিক্ষার আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে শিক্ষকরা শিক্ষা ও সমাজের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন- এমপি মোস্তাফিজুর রহমান নোয়াখালীতে চার বাস কাউন্টারকে জরিমানা শিশুকে যৌন হয়রানির মামলায় অটোরিকশা চালক কারাগারে তৃণমূলে প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থতা সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ: ড. আব্দুল-আওয়াল বিয়ে করলেন দুয়া লিপা- ক্যালাম টার্নার মিয়ানমারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ৫৫ সিরাজগঞ্জে যমুনা নদী থেকে যুবকের শিকলবাঁধা মরদেহ উদ্ধার মতিঝিলে ব্যাংক গ্রাহকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৫০ রাতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেল ভাড়া, সকালে মরদেহ উদ্ধার যখন গর্ভে সন্তান থাকে তখন দেবী, তার পরই শরীর নিয়ে কটাক্ষ: কিয়ারা কুয়াকাটায় মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে পর্যটকের মৃত্যু আমার স্ত্রীর কোনো দোষ নেই: আদালতে সোহেল রানা আইপিএলে সুরিয়াভানশির নতুন ইতিহাস, একাই জিতলেন ৫ পুরস্কার আইপিএলে সুরিয়াভানশির নতুন ইতিহাস, একাই জিতলেন ৫ পুরস্কার সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে সরকার: তথ্যমন্ত্রী নিঃশব্দে ৭০টি জাহাজকে হরমুজ পার করিয়েছে মার্কিন বাহিনী, টেরও পায়নি ইরান! পদত্যাগ করলেন পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

বিএমডিএ’র প্রকল্প সম্পন্ন হলেও ক্ষতিপুরণ পাননি কৃষকেরা

  • আপলোড সময় : ১২-০৫-২০২৬ ০৫:১৭:০৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৫-২০২৬ ০৫:১৭:০৯ অপরাহ্ন
বিএমডিএ’র প্রকল্প সম্পন্ন হলেও ক্ষতিপুরণ পাননি কৃষকেরা ফাইল ফটো
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) পাইপলাইন নির্মাণের একটি প্রকল্প শেষ হয়েছে প্রায় ৪ মাস আগে। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিলও উত্তোলন করেছেন। কিন্তু এখনো ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি গোদাগাড়ীর সারাংপুর এলাকার ভুক্তভোগী কৃষকরা। জমির উপর দিয়ে (এইচডিপিই) পাইপলাইন নির্মাণের সময় ফসল, মূল্যবান গাছপালা ও বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতি হয়। ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছিল। কিন্তু কাজ হবার পরেও দিনের পর দিন বিএমডিএ অফিসে ঘুরেও তারা পাচ্ছেন না তাদের প্রাপ্য অর্থ।

কৃষকদের অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার শর্তেই তাদের জমির উপর দিয়ে পাইপলাইন নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছিল। পরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের একটি তালিকাও প্রস্তুত করা হয়। কিন্তু প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার প্রায় চার মাস অতিবাহিত  হলেও নানা অজুহাতে ক্ষতিপূরণের টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি তালিকায় দেখা গেছে, “সারাংপুর-১ হতে সারাংপুর খাড়ির পাড় পর্যন্ত” এইচডিপিই পাইপলাইন নির্মাণকাজে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নাম, জমির পরিমাণ ও ক্ষতিপূরণের হিসাব উল্লেখ রয়েছে। তালিকায় একাধিক কৃষকের ফসল ও জমির ক্ষয়ক্ষতির বিপরীতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণও নির্ধারণ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএমডিএ’র সেচ প্রকল্পের অধীনে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এইচডিপিই পাইপলাইন স্থাপনের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির দায়িত্বে ছিলেন বিএমডিএ’র ভূ-পরিস্থ পানি উন্নয়ন ও পাতকুয়া শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শিবির আহমেদ।

ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, প্রথমে তাদের ব্যাংক হিসাব খুলতে বলা হয়। পরে বিকাশ বা নগদ অ্যাকাউন্ট দিতে বলা হয়। আবার যারা ব্যাংক হিসাব দিয়েছেন, তাদের কাছে রাউটিং নম্বর চাওয়া হচ্ছে। প্রতিবার নতুন নতুন শর্ত আরোপ করে ক্ষতিপূরণের টাকা আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

একাধিক কৃষক বলেন, আমাদের জমির ফসল নষ্ট হয়েছে, আমাদের মূল্যবান আমগাছ কাটা হয়েছে। কাজ করার সময় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এখন মাসের পর মাস অফিসে ঘুরেও টাকা পাচ্ছি না। শুধু নতুন নতুন কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী শিবির আহমেদ বলেন, কৃষকদের ক্ষতিপূরণের টাকা অনেক আগেই ছাড় করা হয়েছে। তবে কিছু কৃষকের তালিকা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তালিকায় এমন কিছু নাম এসেছে যাদের প্রকৃতপক্ষে ক্ষতি হয়নি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা দেওয়া হবে।

তবে সূত্রের দাবি, ক্ষতিপূরণের অর্থ আটকে যাওয়ার পেছনে বিএমডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের ভূমিকা রয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই শেষ হলেই টাকা দেওয়া হবে। টাকা আটকে রাখার কোনো কারণ নেই।

প্রতিবেদক প্রকৃত ভুক্তভোগী কৃষকদের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি দায় প্রকল্প পরিচালক শিবির আহমেদের দিকে দেন। তিনি বলেন, টাকা পিডি স্যারের কাছে আছে। সময় মতো দেওয়া হবে।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তালিকায় এমন অনেকের নাম রয়েছে, যাদের আদৌ ক্ষতি হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলা পর্যায়ের এই তালিকা প্রস্তুত করেছেন বিএমডিএ’র উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ। ফলে প্রকৃত যাচাই ছাড়া বিতর্কিত বা প্রশ্নবিদ্ধ তালিকা তৈরি হয়েছে কিনা, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ করা হোক।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীর আমবাজারে ধস, উৎপাদন খরচও উঠছে না চাষিদের

রাজশাহীর আমবাজারে ধস, উৎপাদন খরচও উঠছে না চাষিদের