ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ , ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শহীদ জিয়া শিশু পার্ক আধুনিকায়নের লক্ষ্যে পরিদর্শনে করলেন, প্রতিমন্ত্রী টুকু পবায় নিম গাছের চারা রোপণ করলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু নগরীতে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি ও বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ২৩ এয়ারপোর্ট থানা বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার-২ ​রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানের সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ক্ষমা না চাইলে তুষার ও সারজিস আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে: পাবনা জেলা বিএনপি সেপটিক ট্যাংকে পড়ে প্রাণ গেল ৫ বছরের শিশুর বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর রংপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ সাঁকো থেকে পড়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরের মৃত্যু সিংড়ায় প্রাথমিক বৃত্তিতে আয়েশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভাবনীয় সাফল্য লালপুরে বৃক্ষরোপন অভিযান ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ​আত্রাই অগ্রণী ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে আব্দুল আওয়াল-এর দায়িত্ব গ্রহণ উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে ষ্ট্যান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার (এসওডি) বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ায় হত্যার রহস্য ফাঁস মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ যে কাজ করলে আল্লাহর আরশ থর থর করে কেঁপে ওঠে! পাউবোর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকির মুখে প্রথমবারের মতো ড্রোনে বন্যার্তদের কাছে পৌঁছাল ত্রাণ সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের মাসিক ব্যয় অর্ধেক করছে সরকার

আবারও আদালতের ধাক্কায় ট্রাম্পের শুল্কনীতি, বাড়ছে অনিশ্চয়তা

  • আপলোড সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০৬:৪৩:১৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০৬:৪৩:১৬ অপরাহ্ন
আবারও আদালতের ধাক্কায় ট্রাম্পের শুল্কনীতি, বাড়ছে অনিশ্চয়তা আবারও আদালতের ধাক্কায় ট্রাম্পের শুল্কনীতি, বাড়ছে অনিশ্চয়তা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য ও শুল্কনীতি আবারও আদালতের বাধার মুখে পড়েছে। সর্বশেষ এক ফেডারেল আদালতের রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত ১০ শতাংশ বৈশ্বিক আমদানি শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, যা তার বাণিজ্য নীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালত-এর তিন বিচারকের ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছে, ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক 'আইন দ্বারা অনুমোদিত নয়'। এই শুল্ক প্রায় সব আমদানিকৃত পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছিল এবং এটি সেই আগের বৈশ্বিক শুল্ক ব্যবস্থার বিকল্প ছিল, যেটি ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিয়েছিল।

প্রথম মেয়াদে সীমিত ও নির্দিষ্ট শুল্ক আরোপ করলেও দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ও বিস্তৃত শুল্কনীতি গ্রহণ করেছেন। তবে আদালত বারবার বলছে, তিনি বাণিজ্য আইনকে আইনি সীমার বাইরে প্রসারিত করছেন।

আদালতের এসব রায়ে ট্রাম্প স্পষ্টতই বিরক্ত হলেও তিনি পিছু হটার কোনো ইঙ্গিত দেননি। বৃহস্পতিবার তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি ৪ জুলাইয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইইউ বাণিজ্য চুক্তির শর্ত পূরণ না করে, তবে তাদের ওপর আরও বেশি শুল্ক আরোপ করা হবে। গত সপ্তাহে তিনি ইউরোপ থেকে আমদানি করা গাড়ি ও ট্রাকের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক বাড়িয়েছেন।

এ পরিস্থিতি এমন সময় তৈরি হয়েছে, যখন ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ইউরোপীয় মিত্রদের সমর্থন না পাওয়ায় ট্রাম্প ক্ষুব্ধ।

বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের এই রায় ভবিষ্যৎ বাণিজ্য আলোচনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য দেশকে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।

ক্যাটো ইনস্টিটিউট-এর অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট স্কট লিনসিকোম বলেন, গত এক বছরে যেসব দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের চাপে ছিল, তাদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে নতুন কৌশলগত সুবিধা।

তিনি বলেন, দেশগুলো হয়তো ট্রাম্পের সঙ্গে করা চুক্তি পুরোপুরি বাতিল করবে না, তবে তারা এখন আরও কঠোর অবস্থানে দরকষাকষি করতে পারবে।

প্যাসিফিক গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ ওয়েন ওয়াইনগার্ডেন ট্রাম্পের শুল্ক হুমকিকে জনপ্রিয় কার্টুন চরিত্র 'চার্লি ব্রাউন' ও 'লুসি'-র ফুটবল দৃশ্যের সঙ্গে তুলনা করেন।

তার ভাষায়, একসময় আপনি আর বল কিক করতে যান না, কারণ জানেন লুসি আবার বল সরিয়ে নেবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও এশিয়ার কিছু অংশীদার এখন ঠিক সেই অনুভূতিই করছে।

তবে হোয়াইট হাউস আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেসাই  বলেন, কংগ্রেস যে ক্ষমতা দিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৈধভাবেই তা ব্যবহার করেছেন। প্রশাসন এখন আইনি বিকল্পগুলো পর্যালোচনা করছে এবং শেষ পর্যন্ত জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।

ট্রাম্প নিজেও আদালতের রায়ে বিস্মিত নন বলে জানান। তিনি উগ্র বামপন্থী বিচারকদের” সমালোচনা করে বলেন, “আদালত নিয়ে আমাকে কিছুই আর অবাক করে না। আমরা একভাবে বাধা পেলে অন্যভাবে এগোব।

তিনি পুনরায় দাবি করেন, শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্র 'শত শত বিলিয়ন ডলার' আয় করছে।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, প্রশাসন তাদের আপিলে জয়ী হবে বলে আশাবাদী। তার দাবি, আদালত এমন একটি আইনকে অকার্যকর বলছে, যা কংগ্রেস কার্যকর করার জন্যই পাস করেছিল।

বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন অন্য আইনি পথ ব্যবহার করে নতুন করে শুল্ক আরোপের চেষ্টা করবে।

ব্রুকিংস ইন টিটিউশন-এর বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ কারি হেরম্যান বলেন, প্রশাসনের হাতে এখনও আরও কয়েকটি শুল্ক আরোপের আইনি উপায় রয়েছে।

অন্যদিকে সমালোচকরা বলছেন, ট্রাম্প যদি সত্যিই শুল্কনীতিকে কার্যকর মনে করেন, তাহলে তার উচিত কংগ্রেসের মাধ্যমে আইন পাস করিয়ে সেটিকে স্থায়ী রূপ দেওয়া।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ